বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > 'পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত তৃণমূলের', পুর নির্বাচনের দাবি দিলীপের
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (ছবি : পিটিআই) (HT_PRINT)
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (ছবি : পিটিআই) (HT_PRINT)

'পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত তৃণমূলের', পুর নির্বাচনের দাবি দিলীপের

রাজ্য বিজেপি সভাপতি জানান, রাজ্যের মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদেরকে পিছনের দরজা দিয়ে বসিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে তৃণমূল।

‌পুরসভা নির্বাচন দ্রুত করানোর দাবিতে সরব হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বিজেপির পুরসভা অভিযান ছিল। সেই পুরসভা অভিযানের দিনই রাজ্য বিজেপি সভাপতির প্রশ্ন, সাধারণ মানুষকে কেন পুর পরিষেবা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে?‌ কেন দেড়–দু'বছর ধরে পুরসভা নির্বাচন হচ্ছে না?‌ পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা ভোগ করার জন্য?‌ আগে দ্রুত পুরসভা নির্বাচন করা হোক।

এদিন ভুয়ো ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। এদিন রাজ্য বিজেপি সভাপতি জানান, রাজ্যের মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদেরকে পিছনের দরজা দিয়ে বসিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে তৃণমূল। তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেন স্থানীয় কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, মেয়ররা। তাঁদেরকে নির্বাচিত করার জন্য ভোট করানো হচ্ছে না কেন?‌ যে আগে নির্বাচন করার সেটা করুক। একইসঙ্গে রাজ্যের উপনির্বাচনের করানোর প্রস্তাবের প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতির বক্তব্য, দু'মাস হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে হেরে ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁকে ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসতে হবে ক্ষমতা ভোগ করার জন্য। তারজন্য যে কোনওভাবে নির্বাচন করাতে হবে। অবশ্যই করা হবে। সেটার জন্য আলাদা সংস্থা আছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা আছে। তাঁরা সেটা দেখবেন। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উচিত রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন করানো। কেন তাঁরা মানুষকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। সেই উত্তর দিক।

এদিন ফের রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের সরব হয়েছেন রাজ্যের বিজেপি সভাপতি। তিনি অভিযোগ করেন, 'একাধিক জেলাতে বিজেপির কর্মীরা বাড়ি ফিরতে পারেনি। একাধিক কর্মী ঘরছাড়া রয়েছে। বাধ্য হয়েছে কোর্টে গিয়েছি। মানবাধিকার কমিশনের কাছে গিয়েছে। আমরা সরকারের ঘুম ভাঙাতে চেষ্টা করেছিলাম আন্দোলনের কিন্তু সরকারের কোনও হেলদোল নেই।'

একইসঙ্গে ভ্যাকসিন নিয়েও রাজ্য সরকারকে দোষারোপ করতে ছাড়েননি তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভ্যাকসিন নিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। যখন রাজ্যে ভ্যাকসিন এসেছে, তখন ভ্যাকসিন ঠিকমতো বিতরণ করার ব্যবস্থা নেই। যেমন-যেমন ভ্যাকসিন উৎপাদন হচ্ছে, তেমন তেমন জনসংখ্যার আধারে রাজ্যগুলিকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কতজন পেল, জমা আছে, কত কালোবাজারে গেছে, তার কোনও হিসাব নেই। সাধারণ মানুষ ভ্যাকসিন না পেয়ে চলে আসছে। এরইমধ্যে এক ভুয়ো আইএএস অফিসার ধরা পড়েছে। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে সরকারের মন্ত্রী, আমলাদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন। এখন সরকারের কেউ তাঁকে চিনতে পারছেন না। আসলে ভ্যাকসিন নিয়ে বড় কেলেঙ্কারি হয়েছে।

বন্ধ করুন