বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ, পুলিশ পিটিয়েও পার পেয়ে গেলেন ২ ব্যক্তি

তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ, পুলিশ পিটিয়েও পার পেয়ে গেলেন ২ ব্যক্তি

ফাইল ছবি

জানা গিয়েছে, কাজি নজরুল ইসলাম সরণির পাশে নো পার্কিং জোনে দিন কয়েক আগে একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি টেনে নিয়ে যান লেকটাউন ট্র্যাফির গার্ডের আধিকারিক ও কর্মীরা। এর পর ট্র্যাফিক গার্ডে গিয়ে গাড়ি ফেরত চান মালিক।

তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ পিটিয়েও ছাড় পেয়ে গেলেন ২ ব্যক্তি। ঘটনা লেকটাউন থানা এলাকার। এই ঘটনার জেরে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের একাংশের পুলিশ কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছেন পুলিশকর্তারা।

জানা গিয়েছে, কাজি নজরুল ইসলাম সরণির পাশে নো পার্কিং জোনে দিন কয়েক আগে একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি টেনে নিয়ে যান লেকটাউন ট্র্যাফির গার্ডের আধিকারিক ও কর্মীরা। এর পর ট্র্যাফিক গার্ডে গিয়ে গাড়ি ফেরত চান মালিক। অভিযোগ, গাড়ি দিতে অস্বীকার করলে ট্রাফিক পুলিশের কর্মীদের মারধর করেন মালিক ও তাঁর এক সঙ্গী। নিজেকে এলাকার দাপুটে নেতার অনুগামী বলে দাবি করে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এর পর ওই ২ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা। পালটা অভিযুক্তরা সটান লেকটাউন থানায় গিয়ে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের করেন।

এর পর বিষয়টি মিটমাট করে নিতে কলকাতার একাধিক তৃণমূল নেতা লেকটাউন ট্র্যাফিক গার্ডে ফোন করে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু তাতে রাজি হননি পুলিশকর্মীরা। এর পর স্থানীয় এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা অভিযুক্তদের নিয়ে থানায় পৌঁছন। পুলিশকর্মীদের কার্যত চাপ দিয়ে অভিযোগ প্রত্যাহার করান তিনি। পালটা মুচলেকা লেখান অভিযুক্ত ২ ব্যক্তিকে দিয়ে।

এই ঘটনায় ব্যাপক অসন্তোষ ছড়িয়েছে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশের একাংশে। তাদের প্রশ্ন, পুলিশের গায়ে হাত দিয়েও শুধুমাত্র তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ বলে কেউ পার পেয়ে যায় তাহলে লোকে পুলিশকে মানবে কেন?

 

বন্ধ করুন