বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আদালতের রায়ে স্পষ্ট পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে: শমীক
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য।

আদালতের রায়ে স্পষ্ট পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে: শমীক

  • এদিন শমীকবাবু বলেন, ‘আজ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও রায় প্রমাণ করল পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার নয়, তৃণমূল সরকার কাজ করছে। মুখ্যসচিব রাজনৈতিক দলের কর্মীর মতো কাজ করছেন।

ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণকে হাতিয়ার করে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুমুল আক্রমণ করল বিজেপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের সম্পূর্ণ রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে। এমনকী আদালত ভবানীপুর উপনির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিন শমীকবাবু বলেন, ‘আজ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও রায় প্রমাণ করল পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার নয়, তৃণমূল সরকার কাজ করছে। মুখ্যসচিব রাজনৈতিক দলের কর্মীর মতো কাজ করছেন। এ রাজ্যে প্রশাসনের রাজনৈতিকরণ হয়েছে৷ মুখ্যসচিব থেকে সিভিক পুলিশ, বিরোধী দলের প্রতি রাজনৈতিক দৃষ্টিতে দেখছে। আগের মুখ্যসচিবের মতো এনারও আর পদে থাকার অধিকার নেই’৷

ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে শমীকবাবু বলেন, ‘সারা দেশের ফোকাস ভবানীপুরে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষ ও সাংসদ অর্জুন সিং যেভাবে আক্রমণ হয়েছে তাতে প্রশ্ন উঠছে আদৌ ভোটের পরিস্থিতি আছে কিনা! যারা এমনিই ১ লক্ষ ভোটে নাকি জিতে তারা কেন আক্রমণ করছেন? মার্জিন বাড়ানোর কৌশল? নির্বাচন কমিশনের এই দিন ঘোষণা যথেষ্ট সন্দেহজনক। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ কিন্তু নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে’।

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিল। গতকাল ভবানীপুরে ভোটারদের ভয় দেখাতে এই আয়োজন করা হয়েছিল৷ আমরা ১৪৪ ধারা লাগু করতে বলেছি। কমিশন বলেছে, ১৪৪ লাগু হবে৷ পর্যাপ্ত বাহিনী টহল দেবে। ২০১৪ সালে ৬২ শতাংশ ভোট পড়ায় বিজেপির লিড ছিল। ২০১৯-এ ভোটের হার কমায় বিজেপি হারল। আমরা চাই বহুতল থেকে মানুষ বেরিয়ে ভোট দেবে’।

বন্ধ করুন