বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Nabanna Aviyan: বিজেপির নবান্ন অভিযানে অনুপস্থিত সুনীল বনসল, হতাশ নেতা–কর্মীদের অন্দরে গুঞ্জন
বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখ্য পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল।

Nabanna Aviyan: বিজেপির নবান্ন অভিযানে অনুপস্থিত সুনীল বনসল, হতাশ নেতা–কর্মীদের অন্দরে গুঞ্জন

  • এই অভিযানে হামলা–আক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হাওড়া স্টেশন এবং দ্বিতীয় হুগলি সেতু। কিন্তু পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপি কর্মীরা বলে অভিযোগ। আটক করা হয় শুভেন্দু অধিকারী এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। বিজেপির কর্মীরা পুলিশের সামনেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ব্যানারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়।

আজ, বিজেপির নবান্ন অভিযান। এই অভিযান করে দলের সামনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে কথাই বৈঠকে উল্লেখ করেছিলেন রাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখ্য পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। এমনকী নবান্ন অভিযানের দিন অর্থাৎ আজ এই কর্মসূচি সফল করতে সুনীল বনসল নিজে স্ট্রং রুমে থাকবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর মিলেছিল। কিন্তু আজ, মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের দিন আসছেন না বনসল বলেই সূত্রের খবর। বরং নয়াদিল্লির দলীয় দফতরে বসেই নবান্ন অভিযান দেখবেন তিনি। তবে, রাজ্য দফতরে এসেছেন অমিতাভ চক্রবর্তী এবং সতীশ ধন্দ।

ঠিক কী করেছিলেন সুনীল?‌ বিজেপি সূত্রে খবর, গত বৃহস্পতিবার হেস্টিংসে প্রায় ৫ ঘন্টা ধরে বৈঠক করেন সুনীল বনসল। সেখানে আজকের নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতির একাধিক দিক খতিয়ে দেখে রণকৌশল তৈরি করেছিলেন তিনি। এই নবান্ন অভিযানের প্রতিটি ধাপের দায়িত্ব বন্টন থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট নেতা এবং কর্মীদের কী করনীয় তা ছকে দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন। যদিও আজ তাঁকে দেখা গেল না।

ঠিক কী জানা যাচ্ছে?‌ নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতা যিনি এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি বলেন, ‘‌বনসল মনে করেন, কোনও কর্মসূচি সফল করতে হলে দায়িত্ব বন্টন এবং সেই দায়িত্ব নিখুঁতভাবে পালন করার উপরেই নির্ভর করে কর্মসূচির সামগ্রিক সাফল্য। সেই ফর্মুলাতেই নবান্ন অভিযানের খসড়া রাজ্য নেতাদের বুঝিয়ে দেন বনসল। কিন্তু আজ আর কলকাতায় এসে পৌঁছননি বনসল।’‌ সুতরাং বিজেপির একটা অংশ আবার নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ল। এই অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে।

কী দেখা গেল নবান্ন অভিযানে?‌ এই অভিযানে হামলা–আক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হাওড়া স্টেশন এবং দ্বিতীয় হুগলি সেতু। কিন্তু পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপি কর্মীরা বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। উত্তেজিত বিজেপির কর্মীরা পুলিশের সামনেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি–সহ ব্যানারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। হলদিয়া থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে হলদিয়ার বিজেপি বিধায়িকা তাপসী মণ্ডলকে হলদিয়া জাতীয় সড়কে আটকায় পুলিশ। আর সেখানেও রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

বন্ধ করুন