বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > BJP Whatsapp: সুকান্ত–দিলীপ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে তুলকালাম বিজেপি, পঞ্চায়েতের আগে কী অবস্থা?

BJP Whatsapp: সুকান্ত–দিলীপ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে তুলকালাম বিজেপি, পঞ্চায়েতের আগে কী অবস্থা?

বিজেপি।

গত ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উদ্বোধনে ভিভিআইপি কার্ড বিলি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন ভারতী ঘোষ। সেটাও সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ। আর তারপরই তোলপাড় গোটা বঙ্গ–বিজেপিতে তীব্র আলোড়ন। যেন বোমা ফেটেছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিদীর্ণ রাজ্য বিজেপির এই হাল আবার প্রকাশ্যে চলে এল। আর তা নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য–রাজনীতি। কারণ পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে এমন কাণ্ড বড় প্রভাব ফেলবে ভোটবাক্সে। আর এই কাজটি করেছে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র ভারতী ঘোষ। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একদা আইপিএস অফিসার এই বোমাটি ফাটিয়েছেন।

ঠিক কী লেখা ছিল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে?‌ বিজেপি নেত্রী তথা জাতীয় মুখপাত্র ভারতী ঘোষ হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে লেখেন, ‘বঙ্গ বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদারের তুলনায় দিলীপ ঘোষের জমানা অনেক ভাল ছিল।’ শীর্ষ নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হঠাৎই এই বিস্ফোরক মেসেজ করেছেন জাতীয় মুখপাত্র তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। এই মেসেজের ফলে প্রকাশ্যে চলে এল বঙ্গ বিজেপিতে সুকান্ত–দিলীপ গোষ্ঠীর চাপানউতোর। গত ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উদ্বোধনে ভিভিআইপি কার্ড বিলি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন ভারতী ঘোষ। সেটাও সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

আগে কী দাবি করেছিলেন?‌ এই কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ভারতীদেবী দাবি করেছিলেন, গত এক বছরে তাঁর মতো একাধিক নেতা–নেত্রীকে ইচ্ছাকৃতভাবে হেও করেছে এখনকার পরিচালক গোষ্ঠী। এই ভিভিআইপি কার্ড বিলির দায়িত্বে ছিলেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁকেও তুলোধোনা করেছেন ভারতীদেবী। উল্টোদিকে দিলীপ ঘোষের সময়কালে এই অনিয়ম হতো না বলেও লিখেছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিস সুপার।

ঠিক কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ?‌ এই হোয়াটসঅ্যাপ যখন সামনে চলে আসে তখন সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কার্ড বিলি নিয়ে নিশ্চয়ই গণ্ডগোল হয়েছিল। ভারতীদেবীর বিষয়টি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জানানো উচিত। গোটা ঘটনার তদন্ত প্রয়োজন। বন্দে ভারতের উদ্বোধন একটা সরকারি অনুষ্ঠান। পার্টির কর্মসূচি নয়। যাঁদের নামে কার্ড ইস্যু হয়েছে, তাঁদের বদলে অন্যরা মঞ্চের কাছে কীভাবে পৌঁছে গেলেন, সেটাও দেখা দরকার।’ সুকান্ত মজুমদারের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন