বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > নোবেল চুরিতে জড়িত তৃণমূল, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বিস্ফোরক দাবি BJP নেতার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর নোবেল পদক। 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর নোবেল পদক। 

নোবেল চুরিতে জড়িত তৃণমূল, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বিস্ফোরক দাবি BJP নেতার

  • তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, সিবিআই না পারলে আমি নোবেল খুঁজে দেব। এবার উনি নোবেল খুঁজে দিন। তৃণমূলেরই যোগসাজসে নোবেল চুরি হয়েছে। অতীতে যত চুরি - ডাকাতি - রাহাজানি - খুন – ধর্ষণ হয়েছে প্রতিটার সঙ্গেই তৃণমূল কংগ্রেস যুক্ত’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদক চুরিতে জড়িত তৃণমূল। সোমবার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা জানানোর পর এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তাঁর অভিযোগ, নোবেল পদক উদ্ধারে CBIকে সাহায্য করেনি রাজ্য সরকার।

এদিন রাহুল সিনহা বলেন, ‘তৃণমূলের মুখপত্রে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, নোবেল পুরস্কার কোথায় গেল? সিবিআইকে প্রথম থেকে অসহযোগিতা করেছে এই সরকার যাতে নোবেল পুরস্কার খুঁজে না পাওয়া যায়। রাজ্য সরকার যে ভাবে কেন্দ্রীয় বা স্বাধীন সংস্থাগুলির কাজে বাধা সৃষ্টি করে থাকে একই ভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। আজকে তারা বলছে নোবেল কোথায়’?

এর পরই তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, সিবিআই না পারলে আমি নোবেল খুঁজে দেব। এবার উনি নোবেল খুঁজে দিন। তৃণমূলেরই যোগসাজসে নোবেল চুরি হয়েছে। অতীতে যত চুরি - ডাকাতি - রাহাজানি - খুন – ধর্ষণ হয়েছে প্রতিটার সঙ্গেই তৃণমূল কংগ্রেস যুক্ত’।

জবাবে তৃণমূলের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘২০০৪ সালে নোবেল পদক চুরি গিয়েছে। তখন তো তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল না। আর রাজ্য সরকার যদি তদন্তে অসহযোগিতা করে থাকে তাহলে কেন আদালতে তা জানাল না সিবিআই?’

২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল শান্তিনিকেতনের সংগ্রহশালা থেকে চুরি যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদক। তার ৬ দিন পর তদন্তভার নেয় সিবিআই। কিন্তু আজও খোঁজ পাওয়া যায়নি চুরি যাওয়া সেই পদকের।

 

বন্ধ করুন