বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > নবান্ন অভিযানে নেই রাহুল সিনহা!‌ বয়কট করলেন নাকি বাদ পড়লেন, চর্চা তুঙ্গে
ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা বিজেপি কর্মীদের 
ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা বিজেপি কর্মীদের 

নবান্ন অভিযানে নেই রাহুল সিনহা!‌ বয়কট করলেন নাকি বাদ পড়লেন, চর্চা তুঙ্গে

  • বিজেপি যুব মোর্চার হাই–প্রোফাইল নবান্ন অভিযান কর্মসূচীতে দেখা গেল না প্রথমসারির বিজেপি নেতা রাহুল সিনহাকে। আর তাই নিয়ে এখন রাজ্য–রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে।

বিজেপি যুব মোর্চার হাই–প্রোফাইল নবান্ন অভিযান কর্মসূচীতে দেখা গেল না প্রথমসারির বিজেপি নেতা রাহুল সিনহাকে। আর তাই নিয়ে এখন রাজ্য–রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে। কারণ কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন রাহুল। তার পর থেকেই ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছিলেন তিনি। এবার তার জেরেই নবান্ন অভিযান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তিনি বলে সূত্রের খবর।

বৃহস্পতিবার বিজেপি’‌র নবান্ন অভিযানে চারটি মিছিল রওনা হয়। যাকে বলে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলা। এই নবান্ন চলো অভিযানে কোন মিছিলে কে, কে নেতৃত্ব দেবেন, তা ঘোষিত হয়েছে মুরলিধর সেন লেন থেকে। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেল, সেই তালিকাতে নেই রাহুল সিনহার নাম। তাহলে কী তিনি দলবদল করবেন?‌ নাকি বিজেপিতে থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এভাবেই বিরোধিতা করে যাবেন?‌ জেপি নাড্ডা বলয়ে ঢুকতে না পারায় এভাবেই তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এই নিয়ে কেউ মুখ না খুললেও দেখা গেল নবান্ন অভিযানে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে ব্রাত্য করেই রাখা হল। বৃহস্পতিবার এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন না বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে জানান রাহুল সিনহা। তবে কেন তিনি থাকছেন না সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি। এমনকী দলীয় নেতা–কর্মীরা জানান, উনি এই কর্মসূচিতে থাকতে পারছেন না। এটুকুই বলতে পারি।

এদিন বিজেপি সদর দফতর থেকে একটি মিছিল চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড, হাওড়া ব্রিজ, ফোরসোর রোড হয়ে যায় নবান্ন অভিমুখে। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে এই মিছিলে বাকি যাঁদের নাম ঘোষিত হয়েছে তাঁরা হলেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, সাংসদ অর্জুন সিং এবং বিজয় ওঝা। যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্যের নেতৃত্বে জিটি রোড ধরে নবান্নমুখী মিছিল যায় হাওড়া ময়দান থেকে। এতে ছিলেন মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ এবং দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং। হেস্টিংস থেকে রেসকোর্স, পিটিএস হয়ে মিছিল যায় নবান্ন’‌র দিকে। এতে যে ছ'জন নেতার নাম দল থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি মুকুল রায়, সর্বভারতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত, রাজ্য কমিটির সদস্য শঙ্কুদেব পন্ডা এবং রাকেশ সিং।

এই অভিযানে বোমাবাজি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের অভিযোগ। এছাড়া বিজেপি’‌র পক্ষ থেকে অভিযোগ, পুলিশ হিংস্র হয়ে ব্যাপক লাঠিচার্জ করেছে। মহিলা নেত্রীদের শ্লীলতাহানি করেছে। আর মিথ্যে অভিযোগে বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে জলকামানে রাসায়নির মিশিয়ে ছড়িয়েছে। যার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

বন্ধ করুন