বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > পুজোয় আমিষ না নিরামিষ? বিজেপির অন্দরে বাঁধল কোন্দল
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

পুজোয় আমিষ না নিরামিষ? বিজেপির অন্দরে বাঁধল কোন্দল

  • এর পর রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের অনুমতি নিয়ে আয়োজনে ঝাঁপিয়েছেন উদ্যোক্তারা। গত বছরের মতো এবছরও বিধাননগরের পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে হবে পুজোর আয়োজন।

পুজোর আয়োজন নিয়ে মতনৈক্যের পর এবার পুজোর মেনু নিয়ে বিবাদ বাঁধল বিজেপিতে। পুজোর দিনগুলোয় মেনুতে থাকবে আমিষ না নিরামিষ তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বিজেপির ২ গোষ্ঠী। আরেক গোষ্ঠী আবার দাবি জানিয়েছে, থাকুর দুরকমই।

রাজ্য বিজেপির পুজোর আয়োজনের বিরোধিতা করে মুখ খুলেছিলেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, পুজো করা দলের কাজ নয়। এমনকী পুজো নিয়ে যে তাঁর তেমন উৎসাহ নেই তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন দিলীপবাবু।

এর পর রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের অনুমতি নিয়ে আয়োজনে ঝাঁপিয়েছেন উদ্যোক্তারা। গত বছরের মতো এবছরও বিধাননগরের পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে হবে পুজোর আয়োজন। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভোজনের আয়োজন। আর এই ভোজন নিয়েই ফের বিবাদ শুরু হয়েছে দলের অন্দরে।

রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ পুজোয় খিচুড়ি বেগুনভাজার পক্ষে। তাঁদের দাবি, বিজেপির আয়োজনে এমনিতে নিরামিষ ভোজনের ব্যবস্থা থাকে। তার ওপরে ভোটের পর দলের আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। তাই বাহুল্য থাক।

অন্য একটি গোষ্ঠী আবার বাঙালি আমিষ পদের দাবি তুলেছে। তাদের চাই মাছ, মাংস। তবে তাতে যে খরচ বাড়বে তা তাঁরা স্বীকার করে নিয়েছেন। অন্য একটি গোষ্ঠীর আবার দাবি, দুরকমই থাক। অনেকে পুজোর দিনগুলিতে আমিষ খান না। তাঁদের জন্য নিরামিষ খিচুড়ির ব্যবস্থা থাকুক। এবার দেখার শেষ পর্যন্ত কোন গোষ্ঠীর মত প্রতিষ্ঠিত হয় দলের অন্দরে।

 

বন্ধ করুন