বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অধিবেশনে যোগ না দিয়ে সই করলেন বিজেপি বিধায়করা, ভাতা পাওয়ার কৌশল!
বিধানসভা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
বিধানসভা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

অধিবেশনে যোগ না দিয়ে সই করলেন বিজেপি বিধায়করা, ভাতা পাওয়ার কৌশল!

  • প্রত্যেকেই নিয়ম অনুযায়ী পাবেন তাঁদের দৈনিক প্রাপ্য ভাতাও।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ১ নভেম্বরের পর আর এখন বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দেবেন না। তিনি যোগ দেননি ঠিকই, তবে তাঁর সঙ্গে থাকা বিধায়করা যোগ না দিয়েই অ্যাটেনড্যান্স রেজিস্টারে সই করেছেন। তাই প্রত্যেকেই নিয়ম অনুযায়ী পাবেন তাঁদের দৈনিক প্রাপ্য ভাতাও। এই দ্বিমুখী নীতি নেওয়ায় সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য বিধানসভা। এই তালিকায় রয়েছেন হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, কুমারগ্রামের মনোজকুমার ওঁরাও, ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা এবং ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ সখা–সহ বেশ কয়েকজন।

এই অধিবেশনে যোগ না দিয়ে সই করার ঘটনা নিয়ে জোর সমালোচনা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ না গিয়ে হাজিরা খাতায় সই করেছেন বিজেপি বিধায়করা। আসলে দৈনিক ভাতা আদায়ের পথ খোলা রাখছেন তাঁরা। এই খোঁচা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বিজেপি পরিষদীয় দলেও।

উৎসব মরশুমে তাঁরা মানুষের পাশে থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। তাই বিধানসভার আসন্ন অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন না বলে বিজেপি পরিষদীয় দল ঘোষণা করেছিল। সেই ঘোষণা মতো কাজ হল না। তাঁদের এই সই করা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এটা আসলে পিছনের দরজা দিয়ে অর্থ রোজগারের কৌশল বলে মনে করছেন অনেকে।

এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কটাক্ষ, ‘ওঁরা অধিবেশনে থাকবেন না। শুধু ভাতা নেবেন।’ ১ নভেম্বর থেকে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে বিধানসভায় সাংবাদিকদের শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‌আমরা বিএ কমিটির বৈঠকে থাকি না। থাকব না। উৎসবের মরশুমে আমরা মানুষের পাশে থাকব।’‌ কিন্তু দেখা গেল বিজেপির বিধায়করা অধিবেশনে যোগ না দিয়ে সই করে চলে যাচ্ছেন।

বন্ধ করুন