বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌পশ্চিমবঙ্গে দল আমাকে যোগ্য মনে করেনি’‌, তারকা প্রচারকের তালিকায় বাদ লকেট
লকেট চট্টোপাধ্যায় (PTI Photo) (PTI)

‘‌পশ্চিমবঙ্গে দল আমাকে যোগ্য মনে করেনি’‌, তারকা প্রচারকের তালিকায় বাদ লকেট

  • সম্প্রতি বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

আগামী ১২ এপ্রিল বালিগঞ্জ বিধানসভা এবং আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সব দলই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। আবার সাংসদ–বিধায়কদের প্রচারের দায়িত্বও বন্টন করা হয়েছে। বিজেপিও তারকা প্রচারকদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু সেই তালিকায় নেই সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নাম। আর তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিদ্রোহী বলেই কী বাদ পড়লেন লকেট?‌

বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় কারা জায়গা পেয়েছেন?‌ বিজেপির প্রকাশিত ওই তালিকায় রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, অর্জুন মুণ্ডা, গিরিরাজ সিং, পশ্চিমবঙ্গের চার প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, জন বার্লা, ঝাড়খণ্ডের বিরোধী নেতা বাবুলাল মারাণ্ডি–সহ অনেকের নাম রয়েছে।

কাদের নাম তালিকায় নেই?‌ এখানে দেখা যাচ্ছে, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সহ–সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বাদ পড়েছেন। এই বাতিলের তালিকা নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নতুন কিছু বলার নেই। আমাকে দল যে কাজ দিয়েছে তাতে আমি ব্যস্ত।’‌

সম্প্রতি বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এমনকী বেশ কয়েকজন বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতার সঙ্গে তাঁকে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকেই বঙ্গ–বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আগের মতো নেই। একাধিক নির্বাচনে তাঁকে প্রচারে দেখা যায়নি। তাঁর সরাসরি অভিযোগ ছিল, যোগ্যতার পরিবর্তে ‘কোটা’ দেখে রাজ্য পদাধিকারী বাছা হয়েছে। তাই মনে করা হচ্ছে, নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলায় তারকা প্রচারকদের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন লকেট।

ঠিক কী বলছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়?‌ তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে লকেটের মন্তব্য, ‘‌পশ্চিমবঙ্গে দল আমাকে যোগ্য মনে করেনি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অবশ্য আমার উপরে ভরসা করেছিল। তাই আমাকে উত্তরাখণ্ডে ভোটের দায়িত্বে পাঠিয়েছিলেন।’‌ এই যোদ্য মনে না করার কারণ অবশ্য তিনি খোলসা করেননি। তবে দলের অন্দরে ক্ষোভের আঁচ থাকছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বন্ধ করুন