বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ৭৭-র 'অপয়া' নয়, পুরভোটে ঘুরে দাঁড়াতে ১৮-র পুরনো 'যুদ্ধক্ষেত্রই' পছন্দ BJP-র?
মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বিজেপির পুরনো পার্টি অফিস। ফাইল ছবি।
মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বিজেপির পুরনো পার্টি অফিস। ফাইল ছবি।

৭৭-র 'অপয়া' নয়, পুরভোটে ঘুরে দাঁড়াতে ১৮-র পুরনো 'যুদ্ধক্ষেত্রই' পছন্দ BJP-র?

  • ৭৭ সত্ত্বেও 'অপয়া'!

চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছিল গেরুয়া শিবির। মসনদ হাতছাড়া হওয়ার পরই হেস্টিংসের ঝাঁচকচকে দফতর রাতারাতি গুটিয়ে নিয়েছিল পদ্ম শিবির। সামনেই পুরভোট। আবারও রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারে ঝাঁপাচ্ছে। তবে এবার ভোটের বৈতরণী পার করতে মুরলীধর সেন লেনের সাবেকি সদর দফতরই প্রথম পছন্দ বিজেপি নেতাদের। সেই কারণে আগামী পুরভোটের রণকৌশল ছকে ফেলতে পুরনো সদর দফতরকেই 'ওয়ার রুম' করতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনাও হয়ে গিয়েছে দলের অন্দরে।

তবে কেন হেস্টিংসের 'আগরওয়াল হাউজের মতো ঝাঁ-চকচকে দফতর রাতারাতি গুটিয়ে নিচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে? সরাসরি কেউ স্বীকার না করলেও দলের অন্দরে কান পাতলেই, একাংশ নেতাদের মুখে শোনা যায় যে, হেস্টিংসের ওই দফতর দলের জন্য 'অপয়া' ছিল। ওই অংশের দলীয় নেতাদের দাবি, ওই দফতর বিলাসবহুল হলেও ৬ মুরলীধর সেন লেনের সবেকিয়ানাই বেশি ভালো। কারণ, ২০১৫ সালের পুরসভা নির্বাচনে এই দফতর থেকে পরিচালনা করেই সাতটি আসন দখল করেছিল পদ্ম শিবির। আবার ২০১৯ সালে এই দফতর থেকেই ১৮ টি লোকসভা আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি।

সেই জয়ের ধারা বজায় রাখতেই হেস্টিংসের ওই বৃহৎ কার্যালয় তৈরি করা হয়েছিল। একধাক্কায় আসন সংখ্যা তিন থেকে বেড়ে ৭৭ হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। তারপরই দফতরটি সেখান থেকে তুলে নেওয়া হয়। ভরাডুবির পর থেকে এখন আর সেইদিকে যেতে চাইছে না বিজেপি নেতৃত্ব।

বন্ধ করুন