বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাতের কলকাতায় পর পর বোমাবাজি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত কসবা

রাতের কলকাতায় পর পর বোমাবাজি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত কসবা

ঘটনাটি ঘটেছে কসবা থানার ঢিলছোড়া দূরত্বে। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

সম্প্রতি অপরাধ দমন বৈঠকে কলকাতার নগরপাল রাতের শহরের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করার নিদান দিয়েছিলেন।

খাস কলকাতার পশ এলাকা পর পর বোমাবাজিতে তপ্ত হয়ে উঠল। বোমাবাজির শব্দেই অনেকের ঘুম ভেঙেছে বলে খবর। সম্প্রতি অপরাধ দমন বৈঠকে কলকাতার নগরপাল রাতের শহরের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করার নিদান দিয়েছিলেন। তারপরও এই ঘটনায় শিউরে উঠলেন অনেকে। কসবায় এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছে। শনিবার মাঝরাতে ঘটনাটি ঘটেছে কসবা থানার ঢিলছোড়া দূরত্বে। কসবার ত্রিবর্ণ এলাকায় বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কে এলাকাবাসী।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজন জখম হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছে তিনজন। আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় সারারাত পুলিশ মোতায়েন ছিল ঘটনাস্থলে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, কসবা থানা এলাকার পাশে এখনও কাঁচের টুকরো, ইট এবং রক্তের দাগ রয়েছে। বোমার শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ভয়ে ঘুম আসেনি সারারাত। এই পরিস্থিতিতে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। শুধু এলাকা দখল করা নয়, পুরনো শত্রুতা থেকেই এই সংঘর্ষ ঘটেছে। পুলিশ আরও আগে ব্যবস্থা নিতে পারত।

এখানের স্থানীয় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রোমোটিং নিয়ে বিবাদ রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। সেটাই গভীর রাতে বড় আকার ধারণ করে। কে কোন জায়গায় প্রোমোটিং করবে তা নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। তারপরই এলাকায় দুষ্কৃতীরা জড়ো হতে থাকে। রাতারাতি তা মারধর থেকে বোমাবাজিতে পরিণত হয়। ৭–৮টি বোমা ছোড়া হয় এবং কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ।

বন্ধ করুন