এই রাজ্যে ব্যবসা অনেকেই করে থাকেন। তাতে অনেক ব্যবসায়ী সফলও হন। আবার ব্যবসায়ীদের সাফল্যের নিরিখেই আসে কর্মসংস্থান। কিন্তু এই ধরণের ব্যবসায়ী বা উদ্যোগপতিদের কাজের সম্মান সেভাবে মেলে না। অথচ তাঁরা নিরলস কাজ করেই যান সমাজের বুকে। তাতে ক্রেতা–বিক্রেতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেখান থেকেই মেলে যেটুকু সম্মান। আর তা ধরে রাখতে কাজ করে চলেন তাঁরা। এই বিষয়টি অনুভব করে এবার খাস কলকাতায় পাঁচতারা হোটেলে বাংলার ব্যবসায়ী ও উদ্যোগপতিদের সম্মান জানানোর ব্যবস্থা করল ‘ফিভারলাইভ’।
গত শুক্রবার রুবি এলাকার এক পাঁচতারা হোটেলে নানা ব্যবসায়ীদের সম্মান জানানো হয়। তাতে তাঁরা উৎসাহিত হন। ‘ফিভারলাইভ’–এর উদ্যোগে ‘বেঙ্গল ব্রিলিয়ান্স’ অনুষ্ঠানে দেওয়া হয় ‘হ্যাপেনিং অ্যাওয়ার্ডস’। তাতে বহু ব্যবসায়ী, উদ্যোগপতি পুরষ্কৃত হয়েছেন। তার সঙ্গে ছিল নাচ–গান এবং সুন্দর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। ওয়াও মোমো থেকে শুরু করে বাঞ্ছারাম, খাদিমস–সহ একাধিক ব্যবসায়ীকে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়। এখানে বিশিষ্ট মানুষজনের উপস্থিতিতে পাঁচতারা হোটেলের বলরুম একটা আলাদা নৈসর্গিক পরিবেশ তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অ্যাম্বাসেডর গাড়ি সংরক্ষণ করবে রাজ্য সরকার, নজির সৌজন্যের
তবে এখানে যাঁদের হাত থেকে পুরষ্কার ব্যবসায়ীরা পেয়েছেন সেটাও আলোচ্য বিষয় এখন। কারণ এখানে উপস্থিত ছিলেন—মধুমিতা সরকার, অরিন্দম শীল, তনুশ্রী চক্রবর্তী, আবির চট্টোপাধ্যায়–সহ নক্ষত্র তারকারা। তাঁদের হাত থেকেই পুরষ্কার নেন ব্যবসায়ীরা। এমন একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে খুশি সকল ব্যবসায়ী এবং উদ্যোগপতি। এই মঞ্চ থেকে ব্যবসায়ীদের বলতে শোনা যায়, ‘আসছে বছর আবার হবে।’ অর্থাৎ এই অনুষ্ঠানে ফিভার এফএম থেকে রেডিও জকিরা সঞ্চালনা করছিলেন। ফলে একটা আলাদা পরিবেশ তৈরি হয়।
এছাড়া এখানে আরও দু’জন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের উপস্থিতিতে এই পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আলাদা মাত্রা পায়। একজন হলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা গায়ক। আর একজন বিরোধী দলের নেতা তথা অভিনেতা। হ্যাঁ, তাঁরা দু’জন হলেন যথাক্রমে বাবুল সুপ্রিয় এবং রুদ্রনীল সেন। রাজনীতির ময়দানে দু’জনেই যুযুধান প্রতিপক্ষ হলেও এখানে জড়ালেন আনন্দে। এদিন বাবুল সুপ্রিয়র বিবাহবার্ষিকী ছিল। তাই কেক আনা হয়েছিল। সেটি কেটে বাবুল সুপ্রিয় অন্যান্যদের সঙ্গে রুদ্রনীলকেও খাইয়ে দেন। তাও সবার থেকে বেশি। কেন এমন করলেন? জবাবে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ‘মাঝেমধ্যে ও নানা কথা বলে থাকে। তাই বেশি করে কেক খাইয়ে দিলাম।’