বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Calcutta High Court: টেট দুর্নীতিতে তদন্ত করবে সিবিআই, ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল
কলকাতা হাইকোর্ট (ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

Calcutta High Court: টেট দুর্নীতিতে তদন্ত করবে সিবিআই, ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল

  • এদিন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, যে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিল করেছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের পুনর্বহাল করা যাবে না। এমনকী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের অপসারণও বহাল থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (‌টেট)‌ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আজ, শুক্রবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ প্রাথমিক মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কেই বহাল রাখল। আজ কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, সিবিআই তদন্ত করেই দেখা হবে আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে কি না। একক বেঞ্চের নজরদারিতেই চলবে তদন্ত। এমনকী মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশকে সমর্থন করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। যা একপ্রকার ধাক্কা রাজ্যের কাছে।

ঠিক কী ঘটেছে কলকাতা হাইকোর্টে?‌ আদালত সূত্রে খবর, এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে হোক সেটা চায়নি পর্ষদ। এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল আগেই। স্থগিত ছিল রায়দান। আজ, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বহাল রাখল সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কেই। সুতরাং টেট দুর্নীতি মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। এদিন পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের অপসারণের সিদ্ধান্তও বহাল রাখা হল।

আর কী জানিয়েছে আদালত?‌ এদিন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, যে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিল করেছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের পুনর্বহাল করা যাবে না। এমনকী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের অপসারণও বহাল থাকবে। আর সিঙ্গল বেঞ্চ যে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল তা বহাল রেখেই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত করবে।

সিবিআইয়ের আইনজীবী কী জানিয়েছেন?‌ সিবিআইয়ের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, এই মামলায় ডিভিশন বেঞ্চ কোনও হস্তক্ষেপ করেনি। যেমন আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চলছিল, তেমনই চলবে এবং কলকাতা হাইকোর্টে নির্দিষ্ট সময় অন্তর রিপোর্ট দিয়ে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে হবে। ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলই থাকবে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিটি নির্দেশই বহাল রেখেছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি লপিতা বন্দোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

বন্ধ করুন