বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যের অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ, মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যের অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ, মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

কলকাতা হাইকোর্ট। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)

মুখ্যমন্ত্রীর একজন সদস্য থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা সংসদের প্রতিনিধিকে রাখা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিধানসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর সিদ্ধান্ত পাশ হয়েছে। তাতে রাজ্যপাল এখনও সই করেননি। তাই মুখ্যমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধি রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

রাজ্যের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নেই। তাই সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করার জন্য রাজ্য তৈরি করে অর্ডিন্যান্স। এবার সেই অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। আজ, বুধবার মামলাটি আদালতের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১২ জুন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে খবর।

এই উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য–রাজ্যপাল একটা সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রয়েছে সার্চ কমিটি। কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটির গঠনে বদল করেছে রাজ্য সরকার। আগে সার্চ কমিটিতে তিনজন প্রতিনিধি থাকতেন। এখন সেখানে সদস্যসংখ্যা হয়েছে পাঁচ। তিন সদস্যের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য তথা রাজ্যপাল, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি। এখন সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধি, উচ্চশিক্ষা দফতরের একজন প্রতিনিধি, উচ্চশিক্ষা সংসদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন প্রতিনিধি থাকবেন। এটা মেনে নিতে না পেরেই মামলা।

এদিকে এই জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী হলেন সুস্মিতা সাহা দত্ত। তাঁর দাবি, নতুন কমিটিতে রাজ্য সরকারের তিনজন প্রতিনিধি থাকছে। সুতরাং রাজ্য সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে তা সহজেই পাশ হয়ে যাবে। রাজ্যপালের মতামত সেখানে ধোপে টিকবে না। তাই এই অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করা হল। যদিও রাজ্য সরকারের পাল্টা যুক্তি রয়েছে। আগে সার্চ কমিটিতে ইউজিসি’‌র কোনও সদস্য ছিল না। সেক্ষেত্রে আদালতের রায় মেনে নিয়ে সার্চ কমিটি বদল করতেই হতো। নতুন কমিটিতে রাজ্যের প্রতিনিধি বেশি থাকলে আইন অনুযায়ী কোনও সমস্যা হবে না।

মুখ্যমন্ত্রীর একজন সদস্য থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবার উচ্চশিক্ষা সংসদের প্রতিনিধিকে রাখা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিছুদিন আগে বিধানসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর সিদ্ধান্ত পাশ হয়েছে। যদিও তাতে রাজ্যপাল এখনও সই করেননি। তাই মুখ্যমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধি রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের চিঠি পাঠান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তা নিয়েই সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু দাবি করেন, এই পদ্ধতি আইনসম্মত নয়। এবার তারই মধ্যে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

বাংলার মুখ খবর
বন্ধ করুন

Latest News

ভয়ে গায়ে দেবে কাঁটা, ভূত দেখার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন অজয় দেবগন সপ্তাহের শেষে শনির দশা বহু জেলায়, বাংলার কোথায় কবে বৃষ্টি হবে? অভিনেত্রী নয়, ভারতীয় সেনায় যোগ দিতে চেয়েছিলেন জয়া! সুযোগ না পেয়ে কী বললেন? নো বলে মিস প্রথম উইকেট, মালিঙ্গা-স্টোকসদের সঙ্গে এক সারিতে জায়গা করলেন আকাশ সিভিক ভলান্টিয়ারদের জুনিয়র কনস্টেবল পদে নিয়োগ, লোকসভা ভোটের আগে হতে পারে ঘোষণা অর্ডার করলেই উড়ে আসছে কফি, ওয়েটার ছাড়াই ধরা দিচ্ছে হাতে! ঘটনায় তাজ্জব শহর বাংলার জঙ্গলে ঘুরছে শিকারী কুকুরের দল, ক্যামেরায় ধরা পড়ল ছবি, উচ্ছসিত বনদফতর ক্লাবে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, আমেরিকায় ঠান্ডায় জমে মৃত্যু ভারতীয় বংশোদ্ভূত ছাত্রের মার্চ থেকে জি বাংলায় শুরু ‘যোগমায়া’, তবে পেল না প্রাইম টাইম! জায়গা নিল হিট মেগার ১২ বছর পর বৃহস্পতি শুক্রর মিলন, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হবে ৩ রাশির উপর

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.