বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > শুভেন্দুর দেহরক্ষীর মৃত্যু মামলায় রাজ্যের অভিপ্রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল আদালত
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

শুভেন্দুর দেহরক্ষীর মৃত্যু মামলায় রাজ্যের অভিপ্রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল আদালত

  • পালটা কিশোর দত্ত বলেন, ‘শুভেন্দু তদন্ত এড়াতে চাইছেন। যে কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলায় প্রাথমিক তদন্ত করতে হয়। সেই তদন্ত শেষ হতে একটু সময় লেগেছে। তার পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।’

কেন নতুন করে শুরু হল শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর মৃত্যুর তদন্ত? সোমবার এই প্রশ্ন তুলে কার্যত রাজ্যের অভিপ্রায় নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিল হাইকোর্ট। সঙ্গে বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের মন্তব্য, ‘আসলে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এদেশে গ্রেফতার করা হয়।’ আইনজ্ঞরা বলছেন, এদিনের শুনানিতেই মোটামুটি স্পষ্ট কী হতে চলেছে এই মামলার পরিণতি।

দেহরক্ষীর মৃত্যুর তদন্তসহ ৩টি মামলায় সোমবারই শুভেন্দুকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। আরও ২টি মামলায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যেতে পারলেও আদালতের অনুমতি ছাড়া নতুন করে কোনও FIR দায়ের করতে পারবে না। রাজ্য সরকারের পক্ষে পরিস্থিতি যখন ক্রমশ ঘোরালো হচ্ছে তখনই বিচারপতির কাছ থেকে এল মোক্ষম প্রশ্ন।

এদিন বিচারপতি মান্থার রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে প্রশ্ন করেন, ‘এই মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করতে হল কেন? তিন বছর কাউকে কোনও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হল না, হঠাৎ পুলিশের হাতে এমন কী তথ্য এল যাতে তারা তৎপরতা শুরু করেছে? কেন তিন বছর স্বামীর মৃত্যুর বিচার চেয়ে সোচ্চার হতে দেখা গেল না স্ত্রীকে।’

পালটা কিশোর দত্ত বলেন, ‘শুভেন্দু তদন্ত এড়াতে চাইছেন। যে কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলায় প্রাথমিক তদন্ত করতে হয়। সেই তদন্ত শেষ হতে একটু সময় লেগেছে। তার পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।’

কিশোর দত্তের এই সওয়ালকে যে বিচারপতি গ্রহণ করেননি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর মন্তব্যে। বিচারপতি বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গ্রেফতার করা হয়। তিন বছর কেন কিছু হয়নি তা আমি বিলক্ষণ জানি। তদন্ত বন্ধ করতে বলছি না। তবে তদন্তের গ্রহণযোগ্যতা আদালতকে বোঝাতে হবে।’

বন্ধ করুন