বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Park Street Rape Case: কাদেরের বিচার পর্বে সুজেটের বয়ান গৃহীত হবে না, হাইকোর্ট
পার্কস্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ডে সুজেটের বয়ান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ। প্রতীকী ছবি। 

Park Street Rape Case: কাদেরের বিচার পর্বে সুজেটের বয়ান গৃহীত হবে না, হাইকোর্ট

  • ২০১২ সালে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ডে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। রাজ্যজুড়ে উঠেছিল তীব্র প্রতিবাদ এবং সমালোচনার ঝড়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল কাদের।

পার্কস্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত কাদের খানের বিচারপর্বে নিগৃহীতা সুজেট জর্ডানের বয়ান গৃহীত হবে না। এমনটাই জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর এজলাস মামলার শুনানি ছিল। এই গণধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত কাদের খানের বিচার পর্বে সুজেটের বয়ান গ্রহণ করা নিয়ে নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কাদের। সেই মামলা শুনানির পরিপ্রেক্ষিতেই আজ এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।

২০১২ সালে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ডে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। রাজ্যজুড়ে উঠেছিল তীব্র প্রতিবাদ এবং সমালোচনার ঝড়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল কাদের। এছাড়াও, আরও ৩ অভিযুক্তকে ২০১২ সালে গণধর্ষণের ঘটনার পরেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। নিম্ন আদালতে শুরু হয় তাদের বিচার পর্ব। সেই বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সুজেট। কিন্তু, ঘটনাক্রমে তখন কাদের এবং তার সহযোগী তখনও গ্রেফতার হয়নি। এরইমধ্যে ২০১৫ সালে সুজেটের মৃত্যু হয়। ওই বছরেই তিন অভিযুক্তর সাজা ঘোষণা করে নিম্ন আদালত। ঘটনায় দোষী রুমান খান, নাসির খান ও সুমিত বাজাজকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। সেইসঙ্গে প্রত্যেকের কাছে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, সুজেটের মৃত্যুর পরের বছর ২০১৬ সালে কাদের এবং তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দিল্লির গ্রেটার নইডা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এরপরে কাদেরের বিচার পর্ব শুরু হয় নিম্ন আদালতে। সেখানে সুজেটের বয়ান গ্রহণ করার জন্য পুলিশের পক্ষে নিম্ন আদালতে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদন নিম্ন আদালত গ্রহণ করলে কাদের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। তার আইনজীবীর বক্তব্য, যেহেতু মৃত্যুর পর কাদেরের বিচার পর্ব শুরু হয়েছে তাই নির্যাতিতার বয়ান গ্রহণযোগ্য নয়। তার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

বন্ধ করুন