বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Mid day meal: মিড ডে মিলে দুর্নীতি! কাঠগড়ায় প্রধান শিক্ষক, DM-এর কাছে রিপোর্ট চাইল আদালত
মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

Mid day meal: মিড ডে মিলে দুর্নীতি! কাঠগড়ায় প্রধান শিক্ষক, DM-এর কাছে রিপোর্ট চাইল আদালত

  • ২০১৭ সালে ওই স্কুলে বদলি হয়ে যান শিক্ষিকা তৃপ্তি প্রামাণিক। তার অভিযোগ, তিনি ওই স্কুলে বদলি হয়ে আসার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চন্দন ভাণ্ডারীর বিভিন্ন বিষয়ে দুর্নীতি দেখে আসছেন। স্কুলে যে সংখ্যক পড়ুয়া রয়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যা বিডিওকে দেখিয়ে টাকা নিজের পকেটে ভরছেন।

স্কুলের মিড ডে মিলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এবার এই সংক্রান্ত একটি মামলা গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি স্কুলের শিক্ষিকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সেই সংক্রান্ত মামলায় জেলা শাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন: মিড–ডে মিলের খাবারে ডিটার্জেন্ট দেওয়ার অভিযোগ, পড়ুয়াদের বমি শুরু ইটাহারে

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কামারপোল এফপি স্কুলের শিক্ষিকা তৃপ্তি প্রামাণিক সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে ওই স্কুলে বদলি হয়ে যান শিক্ষিকা তৃপ্তি প্রামাণিক। তার অভিযোগ, তিনি ওই স্কুলে বদলি হয়ে আসার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চন্দন ভান্ডারীর বিভিন্ন বিষয়ে দুর্নীতি দেখে আসছেন। স্কুলে যে সংখ্যক পড়ুয়া রয়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যা বিডিওকে দেখিয়ে অতিরিক্ত সংখ্যক পড়ুয়াদের খাবারের টাকা নিজের পকেটে ভরছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। শুধু তাই নয় এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ওই শিক্ষিকাকে হুমকিও দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষিকার অভিযোগ, শুধু মিড ডে মিলে দুর্নীতি নয়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোনওদিন সময়মতো স্কুলে আসেন না। নিজের ইচ্ছামতো যে কোনও সময়ে স্কুলে আসেন। তারপরে রেজিস্টারে সই করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাঁর অনিয়মের ফলে পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনের সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষিকা। তৃপ্তি প্রামানিক জানান, এ নিয়ে বিডিওর কাছে অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি জেলা শাসকের কাছেও তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তারপরেও সুরাহা না মেলায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। তার মধ্যে মুখ বন্ধ খামে জেলা শাসককে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

বন্ধ করুন