বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > চাপের মুখে তিন মাসের বকেয়া বিল আপাতত মকুব করল CESC
CESC-র সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ। ফাইল ছবি (PTI)
CESC-র সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ। ফাইল ছবি (PTI)

চাপের মুখে তিন মাসের বকেয়া বিল আপাতত মকুব করল CESC

  • সিইএসসির তরফে বুধবার জানানো হয়, শুধুমাত্র জুন মাসের ইউনিটের ওপর নতুন বিল তৈরি করছে তারা। মিটার রিডিং থেকেই ওই বিল তৈরি করা হচ্ছে। আপাতত মার্চ, এপ্রিল ও মে-র বকেয়া বিল দিতে হবে না গ্রাহকদের।

লকডাউনের মধ্যে প্রথম তিন মাসের বিল আপাতত মকুব করল CESC. বুধবার সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের বিল দিতে হবে না গ্রাহকদের। জুন মাসের নতুন বিল পাঠানো শুরু করবে সংস্থা। শুধুমাত্র ওই মাসের বিল চোকালেই চলবে। ইতিমধ্যে যারা অতিরিক্ত বিল মিটিয়েছেন তাঁদের জুনের বিল থেকে ওই টাকা বাদ দেবে CESC. 

সিইএসসির তরফে বুধবার জানানো হয়, শুধুমাত্র জুন মাসের ইউনিটের ওপর নতুন বিল তৈরি করছে তারা। মিটার রিডিং থেকেই ওই বিল তৈরি করা হচ্ছে। আপাতত মার্চ, এপ্রিল ও মে-র বকেয়া বিল দিতে হবে না গ্রাহকদের। জুন মাসের বিল পৌঁছনোর পর কিছুদিন ফাঁক দিয়ে অগাস্টের বিল পাঠাবে সংস্থা। গ্রাকদের ওপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। 

CESC-র তরফে জানানো হয়েছে, মার্চ থেকে মে যে তিন মাস মিটার রিডিং নেওয়া যায়নি সেই তিন মাস ৬ মাসের গড় বিদ্যুৎ খরচের ওপর বিল পাঠিয়েছিল সংস্থা। জুন মাসে মিটার রিডিং নিলে দেখা যায় অধিকাংশ গ্রাহক গড়ের থেকে অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করেছেন। অতিরিক্ত সেই বিদ্যুতের দাম জুনের বিলের সঙ্গে জোড়া হয়। যার ফলে মোটা বিদ্যুতের বিল পৌঁছয় গ্রাহকদের কাছে। শুরু হয় বিক্ষোভ। 

লকডাউনের মধ্যে প্রথম তিন মাসের বিল আপাতত মকুব করল CESC. বুধবার সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের বিল দিতে হবে না গ্রাহকদের। জুন মাসের নতুন বিল পাঠানো শুরু করবে সংস্থা। শুধুমাত্র ওই মাসের বিল চোকালেই চলবে। ইতিমধ্যে যারা অতিরিক্ত বিল মিটিয়েছেন তাঁদের জুনের বিল থেকে ওই টাকা বাদ দেবে CESC. 

সিইএসসির তরফে বুধবার জানানো হয়, শুধুমাত্র জুন মাসের ইউনিটের ওপর নতুন বিল তৈরি করছে তারা। মিটার রিডিং থেকেই ওই বিল তৈরি করা হচ্ছে। আপাতত মার্চ, এপ্রিল ও মে-র বকেয়া বিল দিতে হবে না গ্রাহকদের। জুন মাসের বিল পৌঁছনোর পর কিছুদিন ফাঁক দিয়ে অগাস্টের বিল পাঠাবে সংস্থা। গ্রাকদের ওপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। 

CESC-র তরফে জানানো হয়েছে, মার্চ থেকে মে যে তিন মাস মিটার রিডিং নেওয়া যায়নি সেই তিন মাস ৬ মাসের গড় বিদ্যুৎ খরচের ওপর বিল পাঠিয়েছিল সংস্থা। জুন মাসে মিটার রিডিং নিলে দেখা যায় অধিকাংশ গ্রাহক গড়ের থেকে অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করেছেন। অতিরিক্ত সেই বিদ্যুতের দাম জুনের বিলের সঙ্গে জোড়া হয়। যার ফলে মোটা বিদ্যুতের বিল পৌঁছয় গ্রাহকদের কাছে। শুরু হয় বিক্ষোভ। 

 

বন্ধ করুন