Kolkata: West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee covers her mouth with a piece of cloth during a press conference on coronavirus, at Nabanna (State Secretariat) in Kolkata, Friday, March 20,  2020. State Chief Secretary Rajiva Sinha is also seen. (PTI Photo)(PTI20-03-2020_000273A) (PTI)
Kolkata: West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee covers her mouth with a piece of cloth during a press conference on coronavirus, at Nabanna (State Secretariat) in Kolkata, Friday, March 20, 2020. State Chief Secretary Rajiva Sinha is also seen. (PTI Photo)(PTI20-03-2020_000273A) (PTI)

৩ মে-র পর লকডাউন বাড়াতে নারাজ মমতা, ভিন্নমত মুখ্যসচিবের

  • মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিবের দু’রকম মন্তব্যে স্পষ্ট, লকডাউন তোলা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে রাজ্য সরকার।

এবার লকডাউন প্রত্যাহার ননিয়ে ভিন্ন মন্তব্য শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিবের মুখ থেকে। একদিকে ৩ মে-র পর মুখ্যমন্ত্রী যখন লকডাউন বাড়ানো উচিত নয় বলে মনে করছেন, তখনই মুখ্যসচিব রাজীব সিনহার মন্তব্য, যা পরিস্থিতি তাতে ৪ মে লকডাউন তোলা মুশকিল।

৪ মে লকডাউন তোলা উচিত কি না তা নিয়ে আগামী সোমবার বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে যোগ দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার আগে বৃহস্পতিবার মমতা সাংবাদিকদের বলেন, ‘লকডাউনের মেয়ার আর না বাড়িয়ে তা প্রত্যাহার করা উচিত।’ সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, একবারে লকডাউন প্রত্যাহার না করে তা করা উচিত ধাপে ধাপে। প্রথম সপ্তাহে ২৫ শতাংশ। পরের সপ্তাহে আরও ২৫ শতাংশ ও তৃতীয় সপ্তাহে সম্পূর্ণ লকডাউন তুলে ফেলা উচিত। এভাবে মে-র তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে উঠে যাবে লকডাউন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব রাখবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ওদিকে এদিন এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। তিনি বলেন, ‘৪ মে লকডাউন প্রত্যাহার বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, আমাদের দেশে করোনা আক্রান্তদের ৭০ শতাংশই উপসর্গহীন। ফলে চিকিৎসকরা কী ভাবে করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করবেন তা বুঝতে পারছেন না।’

মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিবের দু’রকম মন্তব্যে স্পষ্ট, লকডাউন তোলা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে রাজ্য সরকার। তবে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে সিদ্ধান্ত নেওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।



বন্ধ করুন