বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, কসবা কাণ্ডে ফোন পুলিশ কমিশনারকে
ভুয়ো IAS দেবাঞ্জন দেব। 

অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, কসবা কাণ্ডে ফোন পুলিশ কমিশনারকে

  • সূত্রের খবর, এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কসবায় ভুয়ো টিকা কাণ্ডে গ্রেফতার দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করতে পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টি নিয়ে এতটাই ক্ষুব্ধ যে দেবাঞ্জনকে ‘রাস্তায় দাঁড় করিয়ে পাঁচ হাজার বার ওঠবোস’ করানো উচিত বলেও ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেন, এই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করার আগে মানুষ ১০০ বার চিন্তা করতে হয়। দেবাঞ্জন দেবের ঘটনায় পুলিশ যেন আপস না করে তার দিকেও নজর দিতে বলেছেন তিনি। কসবার ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অনুমান করছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে পুরসভার নিচুতলার কয়েকজন। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা জানান, ডিসিডিডি সৈকত ঘোষের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করছে লালবাজার।

এদিকে যাঁদের শরীরে ভুয়ো টিকা প্রবেশ করেছে তাঁদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজরদারি চালানোর জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দেবাঞ্জনের দুই শাগরেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চারজন চিকিৎসককে নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র বলেছিলেন, শুধু কসবায় নয়, শহরের আরও বেশ কিছু জায়গায় ওই ঘটনা ঘটেছে। আমাদের গোয়েন্দা শাখা বিষয়টির তদন্ত করছে।

অন্যদিকে সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই আজ বাগরি মার্কেটে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযোগ, কসবার ক্যাম্পের জন্য হেয়ার স্ট্রিট থানা এলাকার এই বাগরি মার্কেট থেকেই নাকি দেবাঞ্জন প্রতিষেধক কিনে নিয়ে গিয়েছিল। যদিও পুলিশের দাবি, আসল বা নকল কোনও করোনা প্রতিষেধকই বাগরিতে পাওয়া যায়নি। তাই দেবাঞ্জনকে ফের জেরা করা হবে। আর আজ শনিবার ওই দুই এলাকায় শিবির করে যাঁরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

বন্ধ করুন