লকডাউন ওঠা নিয়ে সংশয়েই বাড়ছে রেশন কার্ডের চাহিদা।
লকডাউন ওঠা নিয়ে সংশয়েই বাড়ছে রেশন কার্ডের চাহিদা।

বাড়ছে রেশন কার্ডের চাহিদা, লকডাউন বৃদ্ধি হবে বলেই ধারণা সাধারণের

রেশন কার্ডের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, দেশে খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরবে বলে মনে করছেন না ভারতবাসী।

করোনা সংক্রমণের জেরে দেশে নতুন করে বেড়ে গিয়েছে রেশন কার্ডের চাহিদা। এমনই তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে দুঃস্থ নাগরিকদের সুলভ মূল্যে খাদ্যপণ্য বণ্টনের জন্য রেশন কার্ড মঞ্জুর করে করে প্রশাসন। সম্প্রতি তার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, দেশে খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরবে বলে মনে করছেন না ভারতবাসী। দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতির বিচারে সাধারণের ধারণা, ৩ মে তারিখের পরেও বেশ কিছু দিন বিস্তৃত হবে কেন্দ্রীয় নিষেধাজ্ঞা। যার ফলে বাড়ি থেকে বেরোনো এবং দোকান-বাজার ও অফিস-আদালত-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপাতত বহু দিন বন্ধ থাকতে চলেছে।

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় রয়েছে গ্রামাঞ্চলে জনসংখ্যার প্রায় ৭৫% এবং শহরে ৫০%। খাদ্য সুরক্ষা আন্দোলনকর্মীদের দাবি, ত্রাণের আওতা থেকে বাদ পড়েছেন দেশের দরিদ্র নাগরিক বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিকদের বড় অংশ।

আইআইটি দিল্লির অর্থনীতির অধ্যাপক ঋতিকা খেরার মতে, ‘প্রতিটি দরিদ্র পরিবারে রেশন পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র গণবণ্টন ব্যবস্থার সাধারণত্বে। রাজ্যগুলির উচিত প্রতিটি পরিবারের রেশন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা।’

যে সমস্ত রাজ্যে রেশন কার্ডের চাহিদা মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওডিশা, উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থান। এই সমস্ত রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে প্রায় ৯০% জনসংখ্যা খাদ্য সুরক্ষা আইনের অধীনে রয়েছে।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ৫ লাখ রাজ্যবাসীকে খাদ্য কুপন দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই কুপনের মাধ্যমে রেশন কার্ড পাবেন দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা, যার সুবাদে সুলভ মূল্যে তাঁরা অত্যাবশকীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৫ কোটি ৬৫ লাখ বাসিন্দা খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় রয়েছেন।

বন্ধ করুন