বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > টালিগঞ্জ থানায় হঠাৎ করোনা রোগীর হানা, ছড়াল আতঙ্ক
তাপমাত্রা পরীক্ষা করে কর্তব্যরত কনস্টেবল বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি জ্বরে কাবু।
তাপমাত্রা পরীক্ষা করে কর্তব্যরত কনস্টেবল বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি জ্বরে কাবু।

টালিগঞ্জ থানায় হঠাৎ করোনা রোগীর হানা, ছড়াল আতঙ্ক

  • থানায় করোনা রোগীর হানায় পুলিশকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে যে গাছতলায় বসতে দেওয়া হয়েছিল, সেই জায়গা কীটনাশক ছড়িয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়।

করোনা পজিটিভ রিপোর্ট শুনে ঘাবড়ে গিয়ে সটান থানায় ঢুকে পড়লেন কোভিড রোগী। তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর পরে স্যানিটাইজ করা হল থানা চত্বর। তবু আতঙ্ক কাটছে না পুলিশের।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ টালিগঞ্জ থানায় এসে হাজির হন এক ব্যক্তি। প্রবেশপথে তাঁর তাপমাত্রা পরীক্ষা করে কর্তব্যরত কনস্টেবল বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি জ্বরে কাবু। প্রশ্ন করলে পুলিশকর্মীদের তিনি জানান, এক বেসরকারি হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফোনে জানানো হয়েছে যে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তাতে ঘাবড়ে গিয়ে তিনি পুলিশের সাহায্যপ্রার্থী হয়েছেন।

তাঁর কথা শোনার পরে গোটা থানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তিকে থানা চত্বরের এককোণে গ্যারাজের পাশে গাছতলায় বসতে বলা হয়। সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠানো হয় স্বাস্থ্য দফতরে। অ্যাম্বুল্যান্স না পৌঁছানো অবধি গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। শেষে রোগীকে পাঠানো হয় নির্দিষ্ট কোভিড হাসপাতালে। 

এ দিকে থানায় করোনা রোগীর হানায় পুলিশকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে যে গাছতলায় বসতে দেওয়া হয়েছিল, সেই জায়গা কীটনাশক ছড়িয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। তবে যে হেতু ওই রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে কেউ আসেননি, তাই থানার কোনও কর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছেন এক শীর্ষ আধিকারিক। 

ঘটনার প্রেক্ষিতে এ দিন কলকাতা পুলিশের সহকারী কমিশনার (সাউথ ডিভিশন) মিরাজ খালিদ বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে এক ব্যক্তি তাঁর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট জানার পরে থানায় সাহায্য চাইতে হাজির হন। আমরা স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করি। অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। গোটা থানা স্যানিটাইজ করা হয়েছে।’

 

বন্ধ করুন