বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > বারাসতে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে পালাল করোনা রোগী, রাতভর ছোটাল পুলিশকে
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

বারাসতে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে পালাল করোনা রোগী, রাতভর ছোটাল পুলিশকে

  • মাঝপথে টাকি রোডের ওপর পিরগাছা এলাকায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক প্রস্রাব করতে নামলে গাড়ির দরজা খুলে চম্পট দেয় সে।

কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে Covid-19 হাসপাতালে আনার পথে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে পালাল করোনা রোগী। আক্রান্ত যুবক নিজে অ্যাম্বুল্যান্স চালকল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতে টাকি রোডে পিরগাছা এলাকা অ্যাম্বুল্যান্স থেকে পালায় সে। এই খবরে রাতের ঘুম ছুটে যায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের। রাতভর তল্লাশিতে মঙ্গলবার সকালে ওই করোনা রোগীকে অশোকনগর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে কদম্বগাছির করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির রামপুরের বাসিন্দা ওই যুবকের করোনার লক্ষণ দেখা দেওয়ায় স্থানীয় একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পর তাঁকে কদম্বগাছির করোনা হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয় প্রশাসন। সোমবার তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে কদম্বগাছি আনা হচ্ছিল। 

মাঝপথে টাকি রোডের ওপর পিরগাছা এলাকায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক প্রস্রাব করতে নামলে গাড়ির দরজা খুলে চম্পট দেয় সে। সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে ফোনে জানান অ্যাম্বুল্যান্স চালক। এর মধ্যে পিরগাছা এলাকায় রটে যায়, অ্যাম্বুল্যান্স থেকে পালিয়েছেন বেশ কয়েকজন করোনা রোগী। তার জেরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। 

খবর পৌঁছতেই ময়দানে নামে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ। গোটা দত্তপুকুর থানা এলাকা ছেঁচে ফেলেন পুলিশকর্মীরা। রাতভর ছোটাছুটির পর সকালে অশোকনগরের কচুয়া এলাকা থেকে খোঁজ মেলে সেই করোনা রোগী। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে প্রশাসনের। মঙ্গলবার সকালে কদম্বগাছির করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওই যুবককে। 

ধরা পড়ার পর সে জানায়, কিছুটা রাস্তা হেঁটে ও বাকিটা গাড়িতে করে অশোকনগরে আত্মীয়ের বাড়িতে পৌঁছেছিল সে। এর পর পথে ও আত্মীয়ের বাড়িতে সে কাদের সংস্পর্শে এসেছিল তা চিহ্নিত করতে শুরু করেন প্রশাসনিক কর্তারা। তাদেরও কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে। 

 

বন্ধ করুন