ফাইল ছবি (PTI)
ফাইল ছবি (PTI)

Covid-19: করোনা নিয়ে আটটি চিঠি লিখলাম, একটিরও উত্তর দিলেন না নির্মলা সীতারামন: অমিত মিত্র

করোনা পরিস্থিতি, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, আগামীর পূর্বাভাস-হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাত্কারে জানালেন অমিত মিত্র।

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাছ থেকে যহানুরূপ অর্থসাহায্য মিলছে না বলে অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। একই সঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে অমিত মিত্রের অভিযোগ, তাঁর চিঠির কোনও উত্তর দেন না নির্মলা সীতারামন। এর মধ্যে আটটি চিঠি লিখেও একটার উত্তর পান নি তিনি, বলে অভিযোগ রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেই করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে ৩৪৬১ কোটি টাকা বকেয়া অর্থ মিটিয়েছে কেন্দ্র।

অমিত মিত্র বলেন যে দশ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা উচিত কেন্দ্রের অর্থনীতির হাল ধরার জন্য। এটি প্রায় জিডিপির ছয় শতাংশ। অমিত মিত্র বলেন যে এখন ফিসক্যাল ডেফিসিট নিয়ে ভাবা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম তলানিতে যাওয়ার ভারতের সুবিধা হবে বলেই জানান তিনি। একই সঙ্গে ভারতে বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার পর্যাপ্ত আছে বলে জানান অমিতবাবু।

তিনি বলেন রাজ্যদের হাতে চার লক্ষ কোটি টাকা কেন্দ্রের দেওয়া উচিত, যেটা মানুষের মধ্যে বণ্টন করা যায়। একই সঙ্গে বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরি বাঁচাতে লকডাউনের মধ্যে ৮০ শতাংশ মাইনে কেন্দ্রের দেওয়া উচিত বলেও অমিত মিত্র সওয়াল করেন। ক্ষদ্র শিল্পের জন্য সফট লোন ও মোরাটেরিয়াম দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

খুব জলদি ঘুরে দাঁড়ালেও এবছরে ভারতীয় অর্থনীতি এক শতাংশের ওপর হারে বৃদ্ধি পাবে না বলে মনে করেন অমিত মিত্র। তবে নেতিবাচক বৃদ্ধির সম্ভাবনাই বেশি বলে এই প্রতিথযশা অর্থনীতিবিদের অভিমত।

কেন্দ্রের ওপরেও গোঁসা করে আছেন অমিতবাবু। তিনি বলেন যে নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে একবার কথা হলেও তাঁর আটটি চিঠির একটিরও জবাব দেন নি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তবে দুই-একটি পরামর্শ যে আংশিক মানা হয়েছে সে কথা স্বীকার করতে বাধ্য হন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে আলোচনা ও সমন্বয় হওয়া দরকার, সেটির অভাব ঘটছে বলে জানান অমিত মিত্র। যেভাবে রাজ্যকে না জানিয়ে কেন্দ্র স্বাস্থ্য দল পাঠিয়েছে, তারও বিরোধিতা করেন তিনি।

বন্ধ করুন