বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Covid Vaccination in Kolkata: 'করোনা তো নেই...', বুস্টারে অনীহা কলকাতাবাসীর, কপালে চিন্তার ভাঁজ পুরসভার

Covid Vaccination in Kolkata: 'করোনা তো নেই...', বুস্টারে অনীহা কলকাতাবাসীর, কপালে চিন্তার ভাঁজ পুরসভার

বুস্টারে অনীহা কলকাতাবাসীর। ফাইল ছবি : পিটিআই (PTI)

Coronavirus Vaccine Booster Dose: তিলোত্তমায় সংক্রমণ রুখতে মরিয়া পুরসভা। তবে টিকায় আম জনতার অনীহায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পুরসভার। এই বিষয়ে ডেপুটি মেয়র তথা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পরিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, বুস্টার ডোজ নিতে শহরবাসীদের অনেকেই অনীহা প্রকাশ করছেন।

এককালে করোনা টিকার আকাল দেখা দিয়েছিল। আর এখন পর্যাপ্ত টিকা মজুদ থাকা সত্ত্বেও কলকাতাবাসীর মধ্যে টিকাকরণ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনীহা। যা নিয়ে বেশ চিন্তিত পুরসভা। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২১ মার্চ পর্যন্ত বুস্টার টিকা নিয়েছেন মাত্র ৪ লাখ মানুষ। ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে বিশেষ ভাবে দেখা দিয়েছে টিকাকরণ নিয়ে অনীহা। এই আবহে মানুষের মন বুঝতে পুরসভার তরফে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বিষয়টির।

বিগত কয়েক সপ্তাহে ফের দ্রুত গতিতে করোনা বাড়ছে গোটা দেশে। এই আবহে সংক্রমণ রুখতে টিকাকরণ একটি বড় হাতিয়ার সরকার ও প্রশাসনের হাতে। ফের একবার কলকাতায় করোনার দৈনিক সংক্রমণের গণ্ডি ১০০ ছাড়িয়েছে। মার্চ মাসের পর এই প্রথ দৈনিক সংক্রমণ সেঞ্চুরি পার করেছে কলকাতায়। এই পরিস্থিতিতে তিলোত্তমায় সংক্রমণ রুখতে মরিয়া পুরসভা। তবে টিকায় আম জনতার অনীহায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পুরসভার। এই বিষয়ে ডেপুটি মেয়র তথা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পরিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, বুস্টার ডোজ নিতে শহরবাসীদের অনেকেই অনীহা প্রকাশ করছেন। কলকাতা পুরসভার এই সংক্রান্ত মাসিক অধিবেশনে তথ্য প্রকাশ করেন অতীন ঘোষ। তিনি জানান, বয়স্কদের মধ্যে বুস্টার না নেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

শহরে মোট বাসিন্দার সংখ্যা যেখানে প্রায় ৪৫ লক্ষ, সেখানে ২১ মার্চ পর্যন্ত বুস্টার টিকা নিয়েছেন ৪ লক্ষের কিছু বেশি বাসিন্দা। কেন এমনটা হল? বিশেষজ্ঞজের মতে, করোনা ভীতি চলে যাওয়ার জেরেই মানুষ বুস্টার নেওয়ার দিকে আর ঝুঁকছে না। অতীন ঘোষের কথায়, 'টিকার বুস্টার না নেওয়ার প্রবণতা খুবই মারাত্মক। বয়স্ক মানুষজন সরাসরি বলে দিচ্ছেন করোনা নেই, তাই বুস্টার ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই পরিস্থিতিতে আমরা প্রচারে আরও জোর দেব।' এদিকে শহরের বয়স্কদের নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর জোগাড় করা হচ্ছে পুরসভার তরফে। ফোন করে জানতে চাওয়া হচ্ছে বুস্টার না নিতে চাওয়ার কারণও।

বন্ধ করুন