বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কোন কোন শর্তে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে ঢোকা যাবে? জানিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ
জাতীয় গ্রন্থাগার
জাতীয় গ্রন্থাগার

কোন কোন শর্তে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে ঢোকা যাবে? জানিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ

তাঁদের মতে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেক পাঠকই গ্রন্থাগারে আসেন। সকলের জন্য গ্রন্থাগার খুলে যাওয়ায় ওই সব পাঠকদের ক্ষেত্রে খুবই সুবিধা হবে।

‌এবার থেকে পাঠকরা ঢুকতে পারবেন জাতীয় গ্রন্থাগারে (ন্যাশনাল লাইব্রেরি)। তবে তাঁদের করোনার ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে গ্রন্থাগারে থাকার সময়ে পরে থাকতে হবে মাস্ক। সম্প্রতি এমন কথাই জানিয়ে দিল জাতীয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় গ্রন্থাগারের অধিকর্তা অজয় প্রতাপ সিং জানান, ‘‌করোনা বিধি অনুযায়ী পাঠকদের চলতে হবে। গ্রন্থাগারের রিডিং রুমে যারা বসবেন, তাঁরা পাশাপাশি বসতে পারবেন না। একটি আসন ছেড়ে তাঁদের বসতে হবে। গ্রন্থাগারে যতক্ষণ থাকবেন পাঠকরা, তাঁদের মাস্ক পড়ে থাকতে হবে। মাস্কের পাশাপাশি স্যানিটাইজার সঙ্গে নিয়ে আসলে খুব ভালো হয়। তবে এখানেও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রয়েছে।’‌ জাতীয় গ্রন্থাগারের তরফে জানানো হয়েছে, আগের মতোই গ্রন্থাগার খোলার সময়সীমা সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও যেহেতু ১৮ বছরের নীচে ভ্যাকসিনের টিকা দেওয়া হয়নি, তাই জাতীয় গ্রন্থাগারের শিশু বিভাগ বন্ধই থাকছে। একইসঙ্গে গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন থেকে অনলাইনে বুক না করলেও রিডিং রুমে বসে বই পড়া যাবে। তবে যদি দেখা যায়, করোনা বিধি মেনে যত জন রিডিং রুমে বসতে পারবেন, ততজনই রয়েছেন, সেক্ষেত্রে নতুন কেউ আর ঢোকার সুযোগ পাবেন না।

জাতীয় গ্রন্থাগারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অনেক পাঠকই। তাঁদের মতে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেক পাঠকই গ্রন্থাগারে আসেন। সকলের জন্য গ্রন্থাগার খুলে যাওয়ায় ওই সব পাঠকদের ক্ষেত্রে খুবই সুবিধা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা আবহের মধ্যে শুধু গবেষকদের জন্য জাতীয় গ্রন্থাগারের দরজা খোলা হয়েছিল। কিন্তু ডেমোক্রেটিক রিসার্চ স্কলার্স অর্গানাইজেশনের তরফে প্রধানমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রককে একটি চিঠি দেওয়া হয়।

বন্ধ করুন