বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাজভবনের চা-চক্রে মমতার গরহাজিরা নিয়ে রাজ্যপালের পাশেই দাঁড়াল বামেরা
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাজভবনের চা-চক্রে মমতার গরহাজিরা নিয়ে রাজ্যপালের পাশেই দাঁড়াল বামেরা

  • এতে প্রমাণিত হল পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কর্তারা রাজনৈতিক কর্তাদের নির্দেশে ওঠবস করেন। এটা হতে পারে না।

স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় রাজভবনের চা-চক্রে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিকে কটাক্ষ করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। সঙ্গে রাজ্যের আমলাকুলকেও বিঁধলেন তিনি। রবিবার সুজন দাবি করেন, শনিবারের ঘটনায় প্রমাণিত হল রাজ্যে প্রশাসনিক আধিকারিকরা আসলে রাজনৈতিক দলের পুতুলে পরিণত হয়েছেন। 

সুজন বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনের চা-চক্র একটি সরকারি অনুষ্ঠান। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও আধিকারিকদের আমন্ত্রণ ছিল বিকেল ৫টায়। তিনি হঠাৎ চলে গেলেন দুপুর বেলা। সেখানে তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে এলেন। আড্ডা দেওয়ার জন্য ওর স্বাধীনতা দিবসটাই পছন্দ হল?’  

প্রশাসনিক কর্তাদের আক্রমণ করে সুজন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী না হয় রাজনৈতিক করণে গেলেন বুঝলাম। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কি মুখ্যসচিব বলে কেউ নেই? ভর দুপুরে অনাহুতের মতো মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি ও পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজভবনে চলে গেলেন। এতে প্রমাণিত হল পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কর্তারা রাজনৈতিক কর্তাদের নির্দেশে ওঠবস করেন। এটা হতে পারে না।‘

বলে রাখি, প্রতি বছরের মতো এবছরও স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন হয়েছিল। সরকারি এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা। ছিলেন বহু গুণীজন ও সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা। সেই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্য সরকারের কোনও আমলাকে। 

যদিও শনিবার সকালে রেড রোডে পতাকা উত্তোলনের পর হঠাৎই আমলা ও পুলিশকর্তাদের নিয়ে রাজভবনে হাজির হন মমতা। রাজ্যপালের সঙ্গে প্রায় ১ ঘণ্টা কথা হয় তাঁর। বেরিয়ে মমতা জানান, স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন হয়। কিন্তু আমি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারব না। তাই রাজ্যপালের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে গেলাম। ওনাকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানালাম। 

 

বন্ধ করুন