বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে বাড়িতেই মৃত্যু, ১২ ঘণ্টা পড়ে রয়েছে বৃদ্ধের দেহ
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে বাড়িতেই মৃত্যু, ১২ ঘণ্টা পড়ে রয়েছে বৃদ্ধের দেহ

  • মৃতের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, বৃদ্ধের করোনা ধরা পড়ার পর প্রশাসনের তরফে বাড়িতেই থাকতে বলা হয়। জানানো হয়, শ্বাসকষ্ট হলে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা হবে। কিন্তু রবিবার বৃদ্ধের শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও হাসপাতালে ভর্তি করা যায়নি।

হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে বাড়িতেই মত্যু করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের। অভিযোগ, তার পর ১২ ঘণ্টার বেশি সময় পেরোলেও দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করতে পারেনি প্রশাসন। ঘটনা বেহালার সাহাপুর রোডের। 

মৃতের আত্মীয়রা জানিয়েছেন, সাহাপুর রোডের ৩ তলা ওই বাড়ির ৪ জন করোনায় আক্রান্ত। গোটা বাড়ি কনটেইনমেন্ট করে রেখে গিয়েছে প্রশাসন। গত রবিবার থেকে করোনার উপসর্গে ভুগছিলেন ৬২ বছরের ওই বৃদ্ধ। রবিবার রাত ১২টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযোগ, সকাল থেকে স্বাস্থ্য দফতর ও স্থানীয় বিদায়ী কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও বেলা ১২টা পর্যন্ত দেহ সৎকারের ব্যবস্থা হয়নি। ওদিকে বাড়ির প্রত্যেক সদস্য কোয়ারেন্টাইনে থাকায় বেরিয়ে ব্যবস্থাও নিতে পারছেন না তাঁরা। 

মৃতের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, বৃদ্ধের করোনা ধরা পড়ার পর প্রশাসনের তরফে বাড়িতেই থাকতে বলা হয়। জানানো হয়, শ্বাসকষ্ট হলে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা হবে। কিন্তু রবিবার বৃদ্ধের শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও হাসপাতালে ভর্তি করা যায়নি। রাতে মৃত্যু হয় বৃদ্ধের। 

এর পর সকালে স্বাস্থ্য দফতরের হেল্পলাইনে ফোন করা হলে সাহায্য করার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সাহায্য এখনো মেলেনি। পরিবারের পরিচিত এক ব্যক্তিতে পাঠানো হয় কলকাতা পুরসভার ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পুরপ্রতিনিধি অশোকা মণ্ডলের বাড়িতে। অভিযোগ, দরজাও খোলেননি তিনি।

ওদিকে বৃদ্ধের মৃত্যুর পর শুনশান হয়ে গিয়েছে গোটা এলাকা। সংক্রমণ ছড়ানোর ভয়ে মরছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যার সুরাহা করুক পুরসভা ও স্বাস্থ্য দফতর। 

 

বন্ধ করুন