বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ২০২০ সালে চাকরি সংক্রান্ত প্রতারণাতেও অভিযুক্ত ছিলেন দেবাঞ্জন , দাবি পুলিশের

২০২০ সালে চাকরি সংক্রান্ত প্রতারণাতেও অভিযুক্ত ছিলেন দেবাঞ্জন , দাবি পুলিশের

ধৃত দেবাঞ্জন দেবের ভুয়ো কার্ড ও নীল বাতি লাগানো গাড়ি  (নিজস্ব চিত্র)

পুলিশ তার বাড়ি থেকে কিছু স্ট্যাম্প পেপার, বিভিন্ন সরকারি দফতরের জাল কাগজপত্র, তিনটি ডেবিট কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই বাজেয়াপ্ত করেছে।

শুধু ভ্যাকসিন সংক্রান্ত প্রতারণা নয়, চাকরি সংক্রান্ত প্রতারণাতেও যুক্ত ছিলেন ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব। ২০২০ সালের মার্চ মাসে এই ধরণের প্রতারণাতে যুক্ত ছিলেন তিনি। দাবি পুলিশের। এবার সেই পুরানো মামলাতেও আলো ফেলতে চাইছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, গতবছর ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ গত বছর ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ(ক্রাইম) মুরলী ধর শর্মা সোমবার একথা জানিয়েছেন। এদিকে দেবের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারা আরোপ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারাও দেওয়া হয়েছে।

তার বাবা রাজ্য এক্সাইজ দফতরের একজন প্রাক্তন আধিকারিক। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মাদুরদহতে তার বাড়িতে তাকে নিয়ে তল্লাশিতে গিয়েছিল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছেন দেবের বাবা করোনায় আক্রান্ত। তিনি বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। পুলিশ তার বাড়ি থেকে কিছু স্ট্যাম্প পেপার, বিভিন্ন সরকারি দফতরের জাল কাগজপত্র, তিনটি ডেবিট কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই বাজেয়াপ্ত করেছে।

জয়েন্ট কমিশনার জানিয়েছেন. খবর কাগজের কাটিং পাওয়া গিয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে দেব এর আগে আমলা হিসাবে নিজেকে তুলে ধরে বিভিন্ন জায়গায় রেডও করেছে। ২০২০ সালের অক্টোবর মাস থেকে কসবায় অফিস ভাড়া নিয়েছিলেন দেবাঞ্জন। প্রতি মাসে বাড়ির মালিক অশোক রায়কে তিনি ৬৫ হাজার টাকা করে ভাড়া দিতেন। এমনকী পুলিশি জেরায় তিনি জানিয়েছেন কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের জন্য তিনি সিরাম ইনস্টিটিউটেও চিঠি দিয়েছেন। কলকাতা কর্পোরেশনের নামে কয়েকজনকে জাল নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। স্পেশাল ইনভেসটিগেশন টিম গোটা ঘটনার তদন্ত করছে । 

বন্ধ করুন