বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়ল ব্যাঙ্ক জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কুখ্যাত দুষ্কৃতী
গোয়েন্দাদের হাতে ধৃত শেখ বিনোদ। ছবি সৌজন্যে কলকাতা পুলিশ।
গোয়েন্দাদের হাতে ধৃত শেখ বিনোদ। ছবি সৌজন্যে কলকাতা পুলিশ।

গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়ল ব্যাঙ্ক জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কুখ্যাত দুষ্কৃতী

  • কুখ্যাত দুষ্কৃতী হল শেখ বিনোদ। দীর্ঘদিন ধরেই তার খোঁজ করছিলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। অবশেষে তাকে গ্রেফতারে বড়সর সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ।

তোলাবাজি, মাদক পাচার, ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে কুখ্যাত দুষ্কৃতী হল শেখ বিনোদ। দীর্ঘদিন ধরেই তার খোঁজ করছিলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। অবশেষে তাকে গ্রেফতার করে বড়সড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। খড়্গপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বিনোদ-সহ সাতজন দুষ্কৃতী। শুক্রবার তাদের গ্রেফতারের পরেই কলকাতা পুলিশের সাফল্য নিয়ে টুইট করেন যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ দমন)।

এর আগেও বিনোদকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। ভুয়ো কল সেন্টার চালানোর অভিযোগে গত বছরের অগস্ট মাসে তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবার সমাজবিরোধী কাজে নেমে পড়ে বিনোদ। গত ১১ নভেম্বর পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সিআইটি রোড শাখার একজন গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায় ৪৫ লক্ষ টাকা। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার ক্রাইম থানা।

সেই ঘটনায় তদন্তে নামার পর পুলিশ জানতে পারে যে এই ঘটনায় শেখ বিনোদ জড়িত রয়েছে। প্রথমে ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে পাকড়াও করে পুলিশ। তাদের জেরা করে বিনোদের নাগাল পান কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। বিনোদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে তোলাবাজি করা এবং মাদক পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আছে। গতবার অগস্টে ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ করেছিল পূর্ব পুঁটিয়ারি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। এরপরে তদন্তে নেমে পুলিশ বিনোদকে গ্রেফতার করে। সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ। বেশ কয়েক মাস জেলে থাকার পর জামিন পেয়ে যায় বিনোদ। কিন্তু জামিন পেলেও অসামাজিক কাজকর্ম করা ছাড়েনি বিনোদ। সেই সূত্রেই তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বন্ধ করুন