বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Didir Doot: মানুষের কথা শুনতে আজ দুয়ারে ‘দিদির দূত’, কী থাকছে গোটা কর্মসূচিতে?

Didir Doot: মানুষের কথা শুনতে আজ দুয়ারে ‘দিদির দূত’, কী থাকছে গোটা কর্মসূচিতে?

আজ ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫টি জনমুখী প্রকল্প নিয়ে তাঁরা কথা বলবেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। আজ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সফর ‘অঞ্চলে এক দিন’। যেখানে সাংসদ, বিধায়ক, জেলা সভাপতি, জেলা পরিষদের সদস্য এবং দলীয় পদাধিকারীদের কোথায় যেতে হবে সেটার তালিকাও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

আজ, বুধবার থেকে নয়া পথে হাঁটতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই পথ চলার উদ্দেশ্য জনসংযোগ। তাই আজ ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে প্রত্যন্ত গ্রামের অঞ্চলে পৌঁছে যাবেন ‘দিদির দূত’রা। আর গ্রাম ঘুরে শুনবেন মানুষের চাওয়া–পাওয়ার কথা। মানুষ যা পেয়েছেন সেটা যেমন লেখা হবে, তেমন না পাওয়ার খতিয়ানও তৈরি হবে। কোনওরকম আতিশয্য নয়। দলের কর্মীর বাড়িতে তাঁদের সঙ্গে ভাগ করে খেতে হবে রাতের খাবার।

ঠিক কী ঘোষণা হয়েছিল?‌ গত ২ জানুয়ারি নজরুল মঞ্চের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি। রাজ্যের দু’কোটি পরিবারের ১০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছনোর কথাও জানান তিনি। সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আজ থেকে প্রচার অভিযানে নামছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫টি জনমুখী প্রকল্প নিয়ে তাঁরা কথা বলবেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। আজ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সফর ‘অঞ্চলে এক দিন’। যেখানে সাংসদ, বিধায়ক, জেলা সভাপতি, জেলা পরিষদের সদস্য এবং দলীয় পদাধিকারীদের কোথায় যেতে হবে সেটার তালিকাও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ এদিন থেকে দিনের শুরুতে প্রথমে ধর্মীয় স্থান থেকে আর্শীবাদ প্রার্থনা নিতে হবে। তারপর যেতে হবে পঞ্চায়েত অফিস, সরকারি হাসপাতালে। এরপর স্থানীয় বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরে অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অভাব–অভিযোগ শুনবেন নেতারা। আর দিনের দ্বিতীয় ধাপে জনসংযোগ, সভা করতে হবে নেতাদের। দলীয় কর্মীর বাড়িতে নৈশভোজ সেরে রাত কাটাতে হবে সেখানেই। তার পরদিন দলীয় অফিসে পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে সফর।

কেমন নির্দেশ জারি হয়েছে?‌ এক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিরাট গাড়ির কনভয় নিয়ে গ্রামে যাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ যা যা প্রশ্ন করবেন বা বলবেন সেটা ধৈর্য ধরে শুনতে হবে। রাগ, ক্ষোভ, বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না। মমতার সরকারের প্রকল্পগুলির কথা জানাতে হবে। কেউ কোনও প্রকল্পের সুবিধা না পেয়ে থাকলে তার কারণ খুঁজে বলতে হবে। মধ্যহ্নভোজ বা নৈশভোজে চলবে না এলাহি আয়োজন। মঙ্গলবার ভবানীপুর বিধানসভার ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি শুরু করা হয়। রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‌মানুষের দুয়ারে সরকার গিয়েছে। এবার দুয়ারে দিদির দূতরা। এমন কর্মসূচি আগে কখনও হয়নি।’‌

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন