বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বিজয়ায় মিষ্টিমুখে তিক্ততার অবসান ঘটালেন দিলীপ-সৌমিত্র
দিলীপকে প্রণাম করে বিজয়ার আশীর্বাদ নিচ্ছেন সৌমিত্র
দিলীপকে প্রণাম করে বিজয়ার আশীর্বাদ নিচ্ছেন সৌমিত্র

বিজয়ায় মিষ্টিমুখে তিক্ততার অবসান ঘটালেন দিলীপ-সৌমিত্র

  • অবশেষে সফল হলেন বিজেপি’‌র কেন্দ্রীয় নেতারা। বিবদমান দু’‌পক্ষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছেন তাঁরা। হ্যাঁ, তবে অবশ্যই বিজয়া দশমীর পর। এই যুযুধান দু’‌পক্ষ হলেন বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সৌমিত্র খান।

অবশেষে সফল হলেন বিজেপি’‌র কেন্দ্রীয় নেতারা। বিবাদমান দু’‌পক্ষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছেন তাঁরা। হ্যাঁ, তবে অবশ্যই বিজয়া দশমীর পরে।

যুযুধান দু’‌পক্ষ হলেন বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সৌমিত্র খান। যিনি সৌমিত্রের তৈরি করা জেলা কমিটি ভেঙে দিয়েছিলেন। যার ফলে গোঁসা করে সৌমিত্র হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ত্যাগ করেছিলেন। এমনকী যুব মোর্চা থেকে ইস্তফা দেবেন বলেও ভিডিও বার্তায় তোপ দেগেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেছিলেন। এবার একধাপ এগিয়ে দিলীপ ঘোষের বাড়ি চলে গেলেন সৌমিত্র খান।

শুধু যে গেলেন তা নয়, বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতিকে প্রণাম করে ফেললেন ঢক করে। আপ্লুত দিলীপও গায়ে হাত বুলিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন। তারপর কাটল বেশ কিছু মুহূর্ত। ফেসবুকে সেই ছবি আপলোড করে সৌমিত্র খান লিখলেন, ‘‌দাদার বাড়িতে গিয়ে বিজয়ার প্রণাম করে এলাম।’‌ সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সায়ন্তন বসু। আসলে তাঁরা সেখানে সাক্ষী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। যেমন নির্দেশ এসেছিল কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছ থেকে।

বিজেপি’‌র কেন্দ্রীয় নেতারা দেখাতে চাইলেন যে, বিভাজনের যে কাঁটা পদ্মে লেগেছে তা উপড়ে ফেলা হল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এর স্থায়ীত্ব কতদিনের?‌ এখানে দু’‌জনেই সাংসদ। দু’‌জনেই চরম পথ ধরেছিলেন। সেখান থেকে নরমে নামিয়ে আনা হল। বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই এই ফাটল মেরামত করে বার্তা দেওয়া হল—সব ঠিক আছে। কোনও বিভাজন নেই। এই দৃশ্যের নেপথ্যে মুকুল ঘনিষ্ঠ সৌমিত্রের অন্য কোনও সমীকরণ আছে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সবপক্ষই। তবে সত্যিই কী সমস্যা মিটল?‌ উত্তর সময় দেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

বন্ধ করুন