বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Dilip Ghosh Supports Nupur Sharma: ‘...জামাকাপড় খুলে যাবে’, পয়গম্বর বিতর্কে নূপুর শর্মার পাশে দিলীপ ঘোষ
বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ (HT_PRINT)

Dilip Ghosh Supports Nupur Sharma: ‘...জামাকাপড় খুলে যাবে’, পয়গম্বর বিতর্কে নূপুর শর্মার পাশে দিলীপ ঘোষ

  • দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আপনি যদি মনে করেন যে নূপুর শর্মা যা বলেছেন তা ভুল, তাহলে প্রকাশ্যে এসে এর বিরুদ্ধে যুক্তি দেখান। কিন্তু যুক্তির বদলে আপনি তরোয়াল তুলে নিচ্ছেন।’

এবার বিজেপির সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার পক্ষে কথা বললেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পিছনে যারা আছে, তাদের মানসিকতা দুর্নীতিগ্রস্ত। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন আগে একটি টিভি শো চলাকালীন নূপুর শর্মা নবী হজরত মহম্মদের বিয়ে নিয়ে এমন একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন যা নিয়ে সারা বিশ্বে সমালোচনা হয়। তবে ইন্ডিয়া টুডে প্রোগ্রামে এসে ঘোষ বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে দেশে দাঙ্গা হত এবং শত শত মানুষ নিহত হয়েছিল। বিশ্ব এই মতাদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পায় যা সহিংসতা ছড়ায়।’

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আপনি যদি মনে করেন যে নূপুর শর্মা যা বলেছেন তা ভুল, তাহলে প্রকাশ্যে এসে এর বিরুদ্ধে যুক্তি দেখান। কিন্তু যুক্তির বদলে আপনি তরোয়াল তুলে নিচ্ছেন।’ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘নূপুর শর্মার বক্তব্যের জেরে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে? নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে যদি যুক্তি থাকে তাহলে টিভিতে এসে কথা বলুন। আপনি জানেন যে নূপুরের বক্তব্য ঠিক, যুক্তি দিতে এলে জামাকাপড় খুলে যাবে। বিষয়টি এমনিতেও এখন আদালতের বিচারাধীন রয়েছে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, আদর্শবাদীদের তরোয়াল দিয়ে হত্যা করা যায় না। এমনটা হলে পরাধীন হয়ে হিন্দুত্ব শেষ হয়ে যেত। বোমা, বন্দুক, তরোয়াল সব চলে গেল। তৈমুর, বখতিয়ার খিলজি থেকে নাদির শাহ পর্যন্ত রক্তের নদী বয়ে গিয়েছে। হিন্দুত্ব কি শেষ? এই মানুষগুলো যুক্তিকে ভয় পায়, আলোচনাকে ভয় পায়। তিনি যা বলেছেন তা সঠিক বা ভুল তা আলোচনায় প্রমাণ করতে হবে। তুমি পরাজিত, তাই তোমরা তরোয়াল বের করো।

এদিকে মা কালীর ধূমপানের পোস্টার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘সব সময়ই এমন কিছু লোক আছে যারা হিন্দুত্বকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে নিজেকে বুদ্ধিজীবী এবং প্রগতিশীল হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করে। এই বিপ্লবী লোকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন বিতর্ক সৃষ্টি করে যাতে তা আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।’ তিনি বলেন, ‘অন্যের সংস্কৃতিকে সম্মান করা আমাদের কর্তব্য কিন্তু সাংস্কৃতিক পরিচয়ের নামে রাজনীতি শুরু হলে সমস্যা দেখা দেয়।’

বন্ধ করুন