বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দুর্গাপুজো নিয়ে দলের অন্দরেই কোন্দল, বিভ্রান্তিতে বিজেপি কর্মী–সমর্থকরা
দুর্গাপুজো করা নিয়ে দলের রাজ্য নেতারা যা যা বলেছিলেন, তার সবই খারিজ করে দিলেন বিজেপি’‌র পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দুর্গাপুজো করা নিয়ে দলের রাজ্য নেতারা যা যা বলেছিলেন, তার সবই খারিজ করে দিলেন বিজেপি’‌র পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

দুর্গাপুজো নিয়ে দলের অন্দরেই কোন্দল, বিভ্রান্তিতে বিজেপি কর্মী–সমর্থকরা

  • হম্বিতম্বিই সার হল। দুর্গাপুজো করা নিয়ে দলের রাজ্য নেতারা যা যা বলেছিলেন, তার সবই খারিজ করে দিলেন বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

হম্বিতম্বিই সার হল। দুর্গাপুজো পালন নিয়ে দলের রাজ্য নেতারা যা যা বলেছিলেন, তার সবই খারিজ করে দিলেন বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাতে এখন মুখ লুকোবার অবস্থা বঙ্গ–বিজেপি নেতাদের। তাঁরাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে দুর্গাপুজো হয় না। পুজো করতে দেওয়া হয় না। এখন সেটাই বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছিল, তাঁদের দলের পক্ষ থেকে প্রথম রাজ্যে দুর্গাপুজো করা হবে। তাল মিলিয়ে তার সঙ্গে চার দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। ২২ অক্টোবর ষষ্ঠীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ওই পুজো উদ্বোধন করবেন। এমনকী রাজ্যবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ সব হচ্ছে না বলে খবর।

এই বিষয়ে দিলীপবাবু জানিয়ে দেন, ‘বিজেপি কোথাও কোনও পুজো করছে না। পুজো করা বিজেপি’‌র কাজ নয়। আমরা শুধু ২২ তারিখ বোধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করব। সমাজের সামনে একটা অনুষ্ঠান করে বার্তা দিতে চাইব। আর আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রী সেদিন মানুষের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছাবার্তা দিন।’ সুতরাং বোঝা গেল, বিজেপি নেতারা রুমালকে বেড়াল বলে চালাতে চেয়েছিলেন। নির্দিষ্ট করে কিছুই ঠিক ছিল না। শুধু হাওয়া গরম করার জন্য এইসব কথা বলা হয়েছিল।

বিজেপি’‌র সহ–সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ইজেডসিসি অডিটোরিয়াম আমরা ভাড়া পেয়েছি। ষষ্ঠী থেকে নবমী বাংলার ঐতিহ্য মেনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। দশমীতে সিঁদুর খেলা এবং প্রতিমা বিসর্জন হবে। পুজো ও উৎসবের দায়িত্বে থাকছে দলের মহিলা মোর্চা এবং সাংস্কৃতিক সেল। আমরা তাদের সাহায্য করছি।’‌ সুতরাং সভাপতির দাবি সঠিক না সহ সভাপতির দাবি সঠিক তা নিয়ে দলের অন্দরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

 

বন্ধ করুন