বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কলকাতা মেট্রোয় ১২ লক্ষ–ভেদ, দুর্গাপুজোর পাঁচদিনে স্মার্ট কার্ডেই সফর যাত্রীদের
ভিড় মেট্রো। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
ভিড় মেট্রো। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

কলকাতা মেট্রোয় ১২ লক্ষ–ভেদ, দুর্গাপুজোর পাঁচদিনে স্মার্ট কার্ডেই সফর যাত্রীদের

  • তাই যদি হয়, তাহলে মেট্রো রেলে ভিড় কতটা হয়েছিল তা সহজেই আন্দাজ করা যাচ্ছে।

দুর্গাপুজোর মানুষের ভিড় নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ পুজো শেষ হতেই করোনাভাইরাস ডবল সেঞ্চুরি করেছিল। কিন্তু মেট্রো রেলের হিসাব বলছে, তারা পুজোর পাঁচদিনে ১২ লক্ষ–ভেদ করেছে। অর্থাৎ ১২ লক্ষ যাত্রীকে পরিষেবা দিয়েছে। তাই যদি হয়, তাহলে মেট্রো রেলে ভিড় কতটা হয়েছিল তা সহজেই আন্দাজ করা যাচ্ছে। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ১১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচদিনে মেট্রোয় যাতায়াত করেছেন ১২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৫৮৩ জন যাত্রী।

এই পরিমাণ যাত্রী যাতায়াত করায় মেট্রো রেলের আয় বেড়েছে। এখন প্রশ্ন, কোন দিন কত যাত্রী মেট্রো চড়েছিলেন। মেট্রো রেলের পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, ষষ্ঠীর দিন ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৭৬১ জন, সপ্তমীতে ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫১ জন। অষ্টমীর দিন ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৩ জন। নবমীতে যাত্রী সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪৮০ জন। দশমীতেও এই একই হার বজায় ছিল।

দুর্গাপুজোর ভিড় সামলাতে প্রত্যেকদিন মেট্রোর সংখ্যা বাড়াতে হয়েছে। আর পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভিড়ও। উত্তর থেকে দক্ষিণ—সর্বত্র মানুষের ঢল নেমেছিল। তাই বাঁধন–ছাড়া হয়ে মানুষ বেরিয়ে পড়েছিলেন। যার সাক্ষ্য বহন করেছে মেট্রো রেলও। এই দিনগুলিতে মেট্রোয় সময়সীমাও শিথিল হয়েছিল। তাই দমদম থেকে দক্ষিণেশ্বর, কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর, দমদম থেকে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষের মধ্যে প্রথম মেট্রো পরিষেবা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়। আর দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত শেষ মেট্রো ছাড়ে রাত ১০টা ৪৮ মিনিটে। একইরকমভাবে দমদম থেকে কবি সুভাষ এবং কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর রাত ১১টায় শেষ মেট্রো ছাড়ে।

এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুর্গাপুজোর পাঁচদিনে যাত্রীরা কোনও টোকেন পাননি। টোকেন বিক্রি করা হয়নি। যাতায়াত করতে হয়েছে স্মার্ট কার্ডে। আর তাই কিনেছে এই বিপুল পরিমাণ যাত্রী। দেখা গিয়েছে, তাঁদের কথা ভেবে যে অতিরিক্ত ৬ লক্ষ স্মার্ট কার্ড রাখা হয়েছিল তাতেও প্রভাব পড়েছে। অর্থাৎ সেগুলিও কিনেছেন এই বিপুল পরিমাণ যাত্রী। তবে যাতায়াত করে ফেরতও দিয়েছেন অনেকে। এই তথ্যই এখন জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বন্ধ করুন