বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ডায়িং হারনেস কোটায় চাকরি মৃতের পোষ্যের অধিকার নয়, রায়ে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

ডায়িং হারনেস কোটায় চাকরি মৃতের পোষ্যের অধিকার নয়, রায়ে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

  • হস্পতিবার আদালত জানিয়েছে, আদালত তার রায়ে কখনো একথা বলেনি যে সহানুভূতিমূলক নিয়োগ পাওয়া মৃতের পোষ্যের অধিকার। আদালত জানিয়েছিল যে মৃতের বিবাহিতা মেয়েকেও পোষ্য হিসাবে বিবেচনা করতে হবে।

মৃত কর্মচারীর চাকরি তাঁর পোষ্যের অধিকার নয়। মৃতের পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সহানুভূতিমূলক নিয়োগ দিতে পারে সরকারি দফতর। তবে তা দিতে বাধ্য নয় তারা। বন্দনা ঘোষ নামে এক মহিলার দায়ের করা মামলায় এমনই জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। 

এদিন আদালত জানিয়েছে, মৃতের পরিবারের তাৎক্ষণিক অনটনের কথা মাথায় রেখে ডাইং হারনেস কোটায় চাকরির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে তা কখনো মৃতের পোষ্যের অধিকার নয়। 

২০১৩ সালে মৃত বাবা ভবানীশংকর বসুর চাকরির দাবি করে আবেদন করেন তাঁর মেয়ে বন্দনা বসু। কলকাতা পুলিশে চাকরিরত ছিলেন তিনি। আবেদন খারিজ করে কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়, যেহেতু বন্দনা দেবী বিবাহিতা তাই চাকরি পাওয়ার যোগ্য নন তিনি। 

কিন্তু ঘটনাক্রম ঘুরে যায় ২০১৭ সালে কলকাতা হাইকোর্টের একটি রায়ে। রায়ে বিচারপতি নিশিথা মাত্রের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিবাহিত মেয়েরাও পিতার মৃত্যুতে সহনাভূতিমূলক নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য। 

সেই রায়কে হাতিয়ার করে ২০১৯ সালে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন বন্দনদেবী। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়েছে, আদালত তার রায়ে কখনো একথা বলেনি যে সহানুভূতিমূলক নিয়োগ পাওয়া মৃতের পোষ্যের অধিকার। আদালত জানিয়েছিল যে মৃতের বিবাহিতা মেয়েকেও পোষ্য হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। সেক্ষেত্রে বিবাহিতা মেয়ে যদি বিবাহবিচ্ছিন্না বা বিধবা হন, বা অন্য কোনও কারণে মৃতের পরিবার তার ওপর নির্ভরশীল হয় তাহলে সে বাবার চাকরি পাওয়ার যোগ্য। 

 

বন্ধ করুন