বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Partha - Arpita পার্থ - অর্পিতার যৌথ মালিকানায় কোম্পানির সন্ধান পেল ED
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায় 

Partha - Arpita পার্থ - অর্পিতার যৌথ মালিকানায় কোম্পানির সন্ধান পেল ED

  • SSC নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এর আগে অর্পিতার নামে ৬টি কোম্পানির খোঁজ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। এমনকী পার্থ ও অর্পিতার আত্মীয়দেরও মালিকানা ছিল সেই কোম্পানিতে। এবার পার্থ ও অর্পিতার যৌথ মালিকানাধীন ২টি কোম্পানির খোঁজ মিলল।

SSC দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে ইডির গোয়েন্দাদের হাতে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের যৌথ মালিকানাধীন ২টি কোম্পানির সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। কাগুজে ওই ২ কোম্পানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। ওই ২ কোম্পানির লেনদেন খতিয়ে দেখা শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

SSC নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এর আগে অর্পিতার নামে ৬টি কোম্পানির খোঁজ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। এমনকী পার্থ ও অর্পিতার আত্মীয়দেরও মালিকানা ছিল সেই কোম্পানিতে। এবার পার্থ ও অর্পিতার যৌথ মালিকানাধীন ২টি কোম্পানির খোঁজ মিলল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে ২০১১ – ১২ সালে নথিভুক্ত হয় কোম্পানিদুটি। কাগুজে এই ২ কোম্পানির মাধ্যমে টাকা পাচার হত বলে আশঙ্কা গোয়েন্দাদের।

মেয়ের সঙ্গে পার্থর সম্পর্কের কথা জানতাম না, দাবি অর্পিতার মায়ের

তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, সম্প্রতি আরও ২টি বিলাসবহুল গাড়ির অর্ডার দিয়েছিলেন পার্থ ও অর্পিতা। চলতি সপ্তাহেই সেই গাড়ি ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিল। সেই গাড়ি কেনা হয়েছিল পার্থ ও অর্পিতার নামে থাকে যৌথ কোম্পানির নামে।

গোয়েন্দাদের অনুমান, অর্পিতার আবাসন থেকে যে ৪টি গাড়ি নিখোঁজ হয়েছে তাতেও টাকা ঠাসা ছিল। তার মধ্যে ২টি গাড়ির সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে তাতে টাকা পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দাদের অনুমান, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হত টাকা। পার্থ ও অর্পিতার যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির লেনদেন খতিয়ে দেখছেন ইডির গোয়েন্দারা।

মঙ্গলবারই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন অর্পিতা। সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রথমবার মুখ খুলে তিনি বলেন, ওই টাকা আমার নয়। আমার অজ্ঞাতে ও অনুপস্থিতিতে টাকা রাখা হয়েছিল।

মঙ্গলবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় আদালতের নির্দেশ মেনে অর্পিতা ও পার্থকে জোকা ESI হাসপাতালে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে নিয়ে যায় ইডি। সেখানে গাড়ি থেকে নেমে হুইল চেয়ারে বসেন অর্পিতা। তবে রবিবারের মতো এদিন আর কান্নাকাটি করতে দেখা যায়নি তাঁকে। বরং বেশ বলিষ্ঠ ছিল তাঁর মুখভঙ্গি। সাংবাদিকদের দেখে বলে অর্পিতা বলে ওঠেন, ‘এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে, অজান্তে ঘরে এই টাকা ঢোকানো হয়েছে। ’

বিধানসভায় বন্ধ করা হল পার্থের ঘর, পরিষদীয় মন্ত্রীর ঘরে আপাতত তালা

এই প্রথম প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করলেন অর্পিতা। তাঁর মন্তব্য ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি তাঁর ফ্ল্যাটের চাবি থাকত অন্য কারও কাছে? টাকা কী ভাবে ঢুকত আবাসনে? কে অর্পিতার ফ্ল্যাটে রেখে যেত বিপুল টাকা? দিনের পর দিন টাকা রাখা হলেও কেন জানতে পারলেন না অর্পিতা?

 

বন্ধ করুন