বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Emergency medicine service: পুজোর আগেই রাজ্যের ১১টি মেডিক্যাল কলেজে চালু হচ্ছে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা

Emergency medicine service: পুজোর আগেই রাজ্যের ১১টি মেডিক্যাল কলেজে চালু হচ্ছে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা

১১ টি মেডিক্যাল কলেজে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা। (‌প্রতীকী ছবি, সৌজন্য গেটি ইমেজেস)‌ (HT_PRINT)

ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবায় যাদের নিয়োগ করা হবে তারা প্রত্যেকেই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বলে জানা গিয়েছে। মোট হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবাতে মোট ১২ জন করে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ থাকবেন। যার মধ্যে রয়েছে একজন প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং ৯ জন সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক।

রাজ্যে একমাত্র এসএসকেএম হাসপাতালে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা চালু রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট বিভাগও রয়েছে। এবার আরও বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য দফতর সুত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার আরও চারটি হাসপাতাল-সহ মোট ১১টি মেডিক্যাল কলেজে এই পরিষেবা চালু করা হবে। ইতিমধ্যেই এই সমস্ত হাসপাতালে ওয়ার্ড তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। পুজোর আগেই এই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবা চালু হয়ে যাবে বলে আশা রাজ্য সরকারের।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবার জন্য মোট ১৩২ পদ তৈরি করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। দ্রুত এই পদে নিয়োগ করা হবে। যে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে এই পরিষেবা চালু করা হবে সেগুলি হল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, বর্ধমান, মেদিনীপুর এবং মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ, মালদহ মেডিক্যাল কলেজ, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, বাঁকুড়া সম্মেলনে মেডিক্যাল কলেজ প্রভৃতি। এই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবায় যাদের নিয়োগ করা হবে তারা প্রত্যেকেই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বলে জানা গিয়েছে। মোট হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিসিন পরিষেবাতে মোট ১২ জন করে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ থাকবেন। যার মধ্যে রয়েছে একজন প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং ৯ জন সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক।

চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত হৃদরোগে আক্রান্ত, স্ট্রোকে আক্রান্ত বা অন্যান্য জটিল সমস্যা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে রোগীদের ইমার্জেন্সি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসার পরে সংশ্লিষ্ট বিভাগে স্থানান্তর করা হয় রোগীকে। কিন্তু, এর ফলে অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যায়। যদি জরুরি বিভাগে ভালোভাবে চিকিৎসা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হবে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তার কথায়, এর ফলে প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকি কমবে। বিদেশে ইমারজেন্সি মেডিসিন পরিষেবা চালু রয়েছে। তাই রাজ্যে এই ব্যবস্থা চালু পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন