বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > লকডাউনের আগেও নিয়মিত যেতেন হাইকোর্টে, প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী কাশীকান্ত মৈত্র
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান আইনজীবী কাশীকান্ত মৈত্র। ছবি : সংগৃহীত
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান আইনজীবী কাশীকান্ত মৈত্র। ছবি : সংগৃহীত

লকডাউনের আগেও নিয়মিত যেতেন হাইকোর্টে, প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী কাশীকান্ত মৈত্র

  • কাশীকান্তবাবু রেখে গেলেন তাঁর স্ত্রী, কন্যা, পুত্রবধূ ও নাতি–নাতনিদের।

প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান আইনজীবী কাশীকান্ত মৈত্র। শনিবার বিকেলে বিধাননগরের বাড়িতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় পশ্চিমবঙ্গের ৬ বারের প্রাক্তন বিধায়ক কাশীকান্তবাবুর। বয়স হয়েছিল ৯৫। এদিন রাতেই সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য।

২০১৩ সালে রাজ্যের ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত কাশীকান্তবাবুকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন তাঁর বাড়ি যান রাজ্যের ২ মন্ত্রী সুজিত বসু ও ব্রাত্য বসু। ছিলেন বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীও। ফুল পাঠিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের প্রদীপ ভট্টাচার্য, আবদুল মান্নান, সিপিএমের সুজন চক্রবর্তীরা।

লকডাউন শুরুর আগে পর্যন্তও কলকাতা হাইকোর্টে নিয়মিত যাতায়াত করেছেন ৬৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পেশায় থাকা কাশীকান্তবাবু। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া পড়েছে রাজ্যের আইন জগতেও।

১৯৬২ সালে তিনি প্রথম বার প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টির (পিএসপি) হয়ে কৃষ্ণনগর পূর্ব কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচিত হন। পর পর দু’‌বার ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ সালে সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টির (এসএসপি) টিকিটে বিধায়ক হন তিনি। তবে ১৯৭১ সালে তিনি জয়লাভ করেন কংগ্রেসের সমর্থনে। পরের বছর কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে খাদ্য ও পশুপালনমন্ত্রীর দায়িত্ব পান কাশীকান্তবাবু। সে সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। কিন্তু এক আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় তাঁর আপ্ত সহায়ক জড়িয়ে পড়লে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন কাশীকান্তবাবু।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগেই মৃত্যু হয় তাঁর পুত্র ডাঃ সুব্রত মৈত্রের। কাশীকান্তবাবু রেখে গেলেন তাঁর স্ত্রী, কন্যা, পুত্রবধূ ও নাতি–নাতনিদের।

বন্ধ করুন