বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ইকবালপুরে রাস্তার ওপরে উদ্ধার তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ
বুধবার রাতে ইকবালপুরে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি দেহ।
বুধবার রাতে ইকবালপুরে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি দেহ।

ইকবালপুরে রাস্তার ওপরে উদ্ধার তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ

  • স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কাছেই ওয়ারশি রোডে রেশমা নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন তরুণী। তাঁর মা গত হয়েছেন। বাবা আলাদা থাকেন। বুধবার বিকেলে বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হন তিনি। রাত গড়ালেও ফেরেননি।

কলকাতার ইকবালপুরে উদ্ধার হল এক তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ। ইকবালপুরের এমএম আলি রোডে বুধবার রাতে বস্তাটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। মৃতের নাম সাবা খাতুন বলে জানা গিয়েছেন। তাঁর মা গত হয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি এক বান্ধবীর বাড়িতে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ইকবালপুর থানার পুলিশ। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার রাত ২.৩০ মিনিট নাগাদ এমএম আলি রোডে একটি ভারী বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বস্তাটির ভিতরে দেখা যায় মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। এর পর পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশ এসে বস্তা খুলে তরুণীর দেহ দেখতে পায়। এর পর দেহটি নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে ২২ বছর বসয়ী সাবাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কাছেই ওয়ারশি রোডে রেশমা নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন তরুণী। তাঁর মা গত হয়েছেন। বাবা আলাদা থাকেন। বুধবার বিকেলে বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হন তিনি। রাত গড়ালেও ফেরেননি। ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। গত ২ মাস তিনি বান্ধবীর বাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। 

মৃতদেহের গলায় শ্বাসরোধের দাগ মিলেছে বলে জানিয়েছেন ইকবালপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরা। এছাড়া কনুইতেও আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তরুণীকে। 

মৃতের কাকা জাকির হোসেন জানিয়েছেন, তরুণীর বস্তুনির্ভরতার অভ্যাস ছিল। মাদকদ্রব্য সেবন করতেন তিনি। কখনো মামার বাড়িতে আবার কখনো বাবার কাছে গিয়ে থাকতেন তিনি। বস্তুনির্ভরতা কাটানোর জন্য তাঁকে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ৬ মাস রাখা হয়েছিল। কিন্তু বেরিয়ে ফের মাদক সেবন করতে শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি বন্ধুর বাড়িতে থাকতে শুরু করে সে। বুধবার বিকেল ৪টেয় বিরিয়ানি আনতে বেরিয়ে আর তার খোঁজ মেলেনি।

বন্ধ করুন