বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > তিহাড় জেলে বন্দি ৮০০ কোটির চিটফান্ড কেলেঙ্কারির কিং পিন গোপাল দলপতি

তিহাড় জেলে বন্দি ৮০০ কোটির চিটফান্ড কেলেঙ্কারির কিং পিন গোপাল দলপতি

চিটফান্ড কর্তা গোপাল দলপতি।

যদিও এই গোপাল বা বিকাশ দলপতির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। একাধিক চিটফান্ড দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২০ সালে জি নেট অ্যাডওয়ার্ল্ড নামে একটি চিটফান্ড দুর্নীতি গ্রেফতার হন গোপাল ও তাঁর স্ত্রী।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর উঠে এসেছে গোপাল দলপতির নাম। কুন্তলের দাবি, তাপস মণ্ডল ও গোপাল দলপতি মিলে তাঁকে ফাঁসিয়েছেন। কিন্তু কে এই গোপাল দলপতি? এখন কোথায় রয়েছেন তিনি?

গোপাল দলপতির আরেক নাম বিকাশ দলপতি। কুন্তলের দাবি খণ্ডন করে তাপস মণ্ডল জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা গোপাল দলপতি তাঁর পূর্ব পরিচিত। তাপসবাবুর পৈত্রিক বাড়িও পূর্ব মেদিনীপুরে। সেই সূত্রেই পরিচয় ২ জনের। তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না। হঠাৎ একদিন কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়ে তাপস মণ্ডলের কাছে হাজির হন তিনি। তখন তিনি গোপালকে জানান কুন্তল ঘোষ নামে হুগলির এক তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করলে কাজ হতে পারে। এর পর কুন্তলের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেন গোপাল। এর পর কুন্তলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে গোপালের। এমনকী তাপসবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বন্ধ করে দেয় সে। তাপসবাবু জানিয়েছেন, গোটা রাজ্য থেকে টাকা তুলতে গোপালকেই কাজে লাগিয়েছে কুন্তুল।

যদিও এই গোপাল বা বিকাশ দলপতির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। একাধিক চিটফান্ড দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২০ সালে জি নেট অ্যাডওয়ার্ল্ড নামে একটি চিটফান্ড দুর্নীতি গ্রেফতার হন গোপাল ও তাঁর স্ত্রী। ওই বছর ১১ জানুয়ারি দমদম বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৮০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। চিটফান্ডকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ার পর গোপালের ঠাঁই হয় দিল্লির তিহাড় জেলে। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন তিনি।

রবিবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে গোপাল দলপতির পৈত্রিক বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দোতলা বাড়িতে থাকেন গোপালের বৃদ্ধ বাবা কালীপদ দলপতি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছেলের সঙ্গে বহুদিন যোগাযোগ নেই। ও জি নেট নামে একটা চিটফান্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে জানতাম। কিন্তু তা বৈধ না অবৈধ তা জানা ছিল না। আমার সঙ্গে তার যোগ যোগাযোগ নেই।’ এমনকী ছেলে যে তিহাড় জেলে বন্দি সেকথাও তিনি জানেন না বলে দাবি করেন বৃদ্ধ।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন