বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Governor Meeting: আজ শিক্ষামন্ত্রী–উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে সিভি আনন্দ বোস, কী নিয়ে কথা সবপক্ষের?

Governor Meeting: আজ শিক্ষামন্ত্রী–উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে সিভি আনন্দ বোস, কী নিয়ে কথা সবপক্ষের?

বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস(ANI Photo) (Sobha Surendran)

জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি এবং ২০২১ সালের ২৪ ডিসেম্বর বৈঠক ডেকেছিলেন। কিন্তু সবাই অনুপস্থিত ছিলেন। এবার সবাই থাকবেন বলে সূত্রের খবর। জগদীপ ধনখড়ের জমানাতেই রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার জন্য বিধানসভায় বিল আনা হয়েছিল। তারপর তা রাজভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। 

আজ, মঙ্গলবার রাজভবনে বৈঠকে বসছেন আচার্য, উপাচার্য এবং শিক্ষামন্ত্রী। জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন দু’‌বার আচার্য হিসাবে বৈঠকে ডেকেছিলেন সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের। কিন্তু কেউ যাননি। এবার সিভি আনন্দ বোস সমস্ত উপাচার্যকে নিয়ে বসতে চলেছেন বৈঠকে। তাই আজকের বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আজ, সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং উপাচার্যদের বৈঠক হবে। সেখানে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও উপস্থিত থাকবেন।

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সরব বিরোধীরা। এমনকী এই নিয়ে সদ্য রাজ্যপালের কাছে নালিশ ঠুকে এসেছেন সুকান্ত–শুভেন্দু। তারপরই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নিয়ে বৈঠকে বসার আগ্রহ দেখালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি গোটা বিষয়টি সরেজমিনে বুঝে নিতে চান। তাও শান্তিপূর্ণ আবহে। সংঘাতের আবহ ত্যাগ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী তিনি। তাই উচ্চশিক্ষা দফতরের আইন মেনে উচ্চশিক্ষা দফতরের মাধ্যমে উপাচার্যদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাজ্যপাল। ই–মেল করে এই বৈঠকের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কোনও টুইট নয়।

তাহলে সবাই কী যাচ্ছেন?‌ আজ নয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে বৈঠকে সব উপাচার্যরা হাজির থাকবেন বলে সূত্রের খবর। রাজ্যপাল আজ উপাচার্যের সঙ্গে পরিচয় সেরে নিতে আয়োজনও করেছেন। তাই একেবারে প্রাতঃরাশ থেকে শুরু করে বৈঠক চলবে মধ্যাহ্নভোজ পর্যন্ত। সব ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে রাজভবনে। জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি এবং ২০২১ সালের ২৪ ডিসেম্বর বৈঠক ডেকেছিলেন। কিন্তু সবাই অনুপস্থিত ছিলেন। এবার সবাই থাকবেন বলে সূত্রের খবর।

কী নিয়ে আজকের বৈঠক?‌ এদিকে জগদীপ ধনখড়ের জমানাতেই রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার জন্য বিধানসভায় বিল আনা হয়েছিল। তারপর তা রাজভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যদিও তা আইনে পরিণত হয়নি। অন্যদিকে শিক্ষা দফতরের প্রচুর ফাইল এখনও আটকে রয়েছে রাজভবনে। সেসব নিয়ে কথা বলতে চান রাজ্যপাল। যাতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কোনও কিছু আটকে না থাকে। আর রাজ্যপালও তাঁর নির্দেশ শান্তিপূর্ণভাবে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে চান। তাতে কাজও হবে আর সংঘাতও লাগবে না। আগে ব্রাত্য বসুরা বারবার বলেছেন, রাজ্যপালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা হচ্ছে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন