বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ নিয়ে জট কাটেনি এখনও, বিশেষ বার্তা দিলেন রাজ্যপাল
 রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি সৌজন্যে পিটিআই)  (PTI)
 রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি সৌজন্যে পিটিআই)  (PTI)

মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ নিয়ে জট কাটেনি এখনও, বিশেষ বার্তা দিলেন রাজ্যপাল

  • পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আমরা রাজ্যপালকে জানিয়েছি বিধানসভার গরিমা অনুসারে, রীতিনীতি অনুসারে আসুন।

ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকটাই স্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। এবার স্বাভাবিকভাবে আসছে শপথ গ্রহণের পালা। কিন্তু সেখানেই তৈরি হয়েছে একাধিক জট। ফের রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত ক্রমশ ঘনিয়ে উঠেছে। এদিকে কোনও জটিলতার মধ্যে না গিয়ে ভালোয় ভালোয় মুখ্যমন্ত্রীর শপথটা সেরে ফেলতে চাইছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে সংবিধান মেনে সাধারণত রাজ্যের মন্ত্রী বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তবে তিনি এই অধিকার স্পিকারের হাতেও তুলে দিতে পারেন।

 এদিকে সূত্রের খবর, বিধানসভা থেকে একটি প্রস্তাব আকারে চিঠি রাজভবনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে আগামী বৃহস্পতিবার শপথবাক্য পাঠ করানোর কথা বলা হয়েছিল। খোদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এনিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। কিন্তু গোল বেঁধেছে এখানেও। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আমরা রাজ্যপালকে জানিয়েছি বিধানসভার গরিমা অনুসারে, রীতিনীতি অনুসারে আসুন। আগামী ৭ তারিখ দুপুর ১২টার আগে আমরা চাইছি তিনি এসে শপথবাক্য পাঠ করান। অন্যদিকে সোমবার সাড়ে সাতটা নাগাদ টুইট করে বিবৃতি দিলেন খোদ রাজ্যপাল। 

রাজ্যপালের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন জয়ের পর বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানানো হোক। সেটা উপযুক্ত মাধ্যমে রাজ্যপালের গোচরে আনা হোক। এরপর রাজ্যপাল পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এদিকে সূত্রের খবর শপথবাক্য পাঠ করানোর যে অধিকার স্পিকারের হাতে ছিল সেটিও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় নিজে মুখ্যমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাতে চান এমনটাও মনে করা হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত রাজভবনে নাকি বিধানসভায় কোথায় শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে এনিয়েও জট রয়েছে। তবে তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী চাইছেন অনুষ্ঠান হোক বিধানসভাতেই। 

 

 

বন্ধ করুন