বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে অবিচার বন্ধের সময় এসেছে’‌, রাজ্যকে টুইট খোঁচা ধনখড়ের
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ফাইল ছবি
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ফাইল ছবি

‘‌পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে অবিচার বন্ধের সময় এসেছে’‌, রাজ্যকে টুইট খোঁচা ধনখড়ের

  • রবিবার একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তিনি। প্রত্যেক শিক্ষককেও শ্রদ্ধা জানান।

আবার রাজ্যপালের টুইট খোঁচা। পুলিশ দিবসের পর শিক্ষক দিবসেও তা অব্যাহত। সম্প্রতি শিক্ষিকাদের বদলি করা নিয়ে রাজ্য–রাজনীতিতে ঝড় বয়ে গিয়েছিল। কারণ তাঁরা বিষপান করেছিলেন। আজ শিক্ষক দিবস। সেখানে পার্শ্বশিক্ষক এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়ে টুইট করে রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

রবিবার একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তিনি। প্রত্যেক শিক্ষককেও শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সামাজিক উন্নয়নের মেরুদণ্ড বলেও টুইটে উল্লেখ করেন। তারপরই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিয়ে রেখেন, ‘‌পার্শ্বশিক্ষক ও চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের উপর অবিচার বন্ধ হওয়ার সময় এসেছে।’‌ এই টুইট রাজ্যপাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেন। সুতরাং রাজ্যপাল–মবাম্ন সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়ে যায়।

তৃতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শপথ নেওয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল টুইট যুদ্ধ। যা বারবার রাজ্য–রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। সম্প্রতি পুলিশ দিবসেও তিনি খোঁচা দিয়েছিলেন। যার পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শিক্ষক দিবসে সেই ধারা অব্যাহত রাখলেন। তবে এবার আর কোনও জবাব এখনও পর্যন্ত আসেনি।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে বসিয়ে অভিযোগে সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। দু’‌দিন আগেই বাণিজ্য সম্মেলন নিয়েও সরব হন রাজ্যপাল। তার পালটা জবাব দেন কুণাল ঘোষও। এই রাজনৈতিক তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যেই ফের শিক্ষক দিবসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

বন্ধ করুন