বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাজভবন–বিধানসভা সংঘাত চরমে, স্পিকারের এক্তিয়ার নিয়ে চিঠি রাজ্যপালের
জগদীপ ধনখড় (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
জগদীপ ধনখড় (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

রাজভবন–বিধানসভা সংঘাত চরমে, স্পিকারের এক্তিয়ার নিয়ে চিঠি রাজ্যপালের

  • এবার তা নিয়ে বিধানসভার বক্তব্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সুতরাং রাজভবন এবং বিধানসভার সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রীকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে না জানিয়ে এভাবে গ্রেফতারকে অসাংবিধানিক বলেছেন তিনি। তারপরই বিধানসভায় স্পিকারের এক্তিয়ার নিয়ে হস্তক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বিধায়কদের সুরক্ষায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বিধানসভায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশে বলা হয়েছিল, বিধানসভার ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। এবার তা নিয়ে বিধানসভার বক্তব্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সুতরাং রাজভবন এবং বিধানসভার সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিধানসভার সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল। স্পিকারের মত জেনেই সচিবালয় থেকে রাজ্যপালের চিঠির জবাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিধানসভা পরিচালনার নির্দিষ্ট বিধি ৩৫২ ও ৩৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী নিজস্ব এক্তিয়ারেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্পিকার বিমানবাবু বলেন, ‘রাজ্যপালের চিঠি সম্পর্কে কিছু বলার নেই। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে বিধানসভার অভ্যন্তরীণ পরিবেশ রক্ষায় একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

প্রশ্ন উঠছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা তার ভিতরের প্রশাসনিক বন্দোবস্ত নিয়ে রাজ্যপাল কি এভাবে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন? বিধায়ক হিসেবে ৫০ বছর অতিক্রম করে আসা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘স্পিকার না চাইলে রাজ্য পুলিশও বিধানসভায় ঢুকতে পারে না। স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত প্রশ্নাতীত। রাজ্যপাল চাইলে সচিবালয় তাঁকে আইনটুকু জানিয়ে দিতে পারে।’

বন্ধ করুন