বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Fair price shop: ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের বিরুদ্ধে বেনিয়মের অভিযোগ, কড়া নির্দেশ রাজ্যের
ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান।

Fair price shop: ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের বিরুদ্ধে বেনিয়মের অভিযোগ, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

  • গত ২৬ জুলাই স্বাস্থ্য ভবনে পারফরমেন্স রিভিউ মিটিং হয়। সেখানে ১১৮ টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের পারফরমেন্স নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে পিপিপি সেলের আধিকারিকরা অভিযোগ করেছেন, প্রয়োজনীয় যে ১৪২ ধরনের ওষুধ রয়েছে সেগুলি সব পাওয়া যায় না এই সমস্ত ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে।

দুর্নীতি এবং দালালরাজ মুক্ত করতে রজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান তৈরি করেছিল সরকার। কিন্তু, সেই ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে বেনিয়মের অভিযোগ উঠল। ওষুধের দাম বেশি নেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওষুধ না মেলা, বিদ্যুতের বিল না মেটানো, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া প্রভৃতি অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য ভবনে স্বাস্থ্য দফতরের পারফরম্যান্স রিভিউ মিটিং হয়। সেখানে এই অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানগুলিকে কড়া নির্দেশ দিল স্বাস্থ্য দফতর।

গত ২৬ জুলাই স্বাস্থ্য ভবনে পারফরমেন্স রিভিউ মিটিং হয়। সেখানে ১১৮টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের পারফরমেন্স নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে পিপিপি সেলের আধিকারিকরা অভিযোগ করেছে প্রয়োজনীয় যে ১৪২ ধরনের ওষুধ রয়েছে সেগুলি সব পাওয়া যায় না এই সমস্ত ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে। বিশেষ করে হাড়ের চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং ওষুধ এই সমস্ত ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে না। আবার অনেক ওষুধ পেতে দেরি হয়। আবার এই সমস্ত ওষুধ পাওয়া গেলেও সরকারের বেঁধে দেওয়া রেটে দেওয়া হচ্ছে না, তার থেকে অনেক বেশি দামে রোগীদের বিক্রি করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, অভিযোগ উঠেছে অনেকেই অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন। ড্রাগ লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ না করা ছাড়াই অনেকেই দোকান চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি যাদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে তারাও দোকান চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ভাড়া এবং বিদ্যুতের বিল না মেটানোর অভিযোগ উঠেছে বহু ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে রাজ্যের ২৫টি হাসপাতালের ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানকে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য দফতর। এই সমস্ত ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।

স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ, যে সমস্ত হাসপাতালে ফেয়ার প্রাইস শপ মনিটরিং কমিটি নেই সেই সমস্ত হাসপাতালে অবিলম্বে মনিটরিং কমিটি তৈরি করতে হবে। ড্রাগ লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করা না থাকলে ১৬ আগস্টের মধ্যে তা করতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। জেলার ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যার কথা জানাতে হবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে যদিও ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানগুলির দাবি, অনেক হাসপাতালে চিকিৎসকরা নিজেই ব্রান্ডেড ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন। ফলে বাধ্য হয়ে দামি ওষুধ রাখতে হচ্ছে, যা সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

বন্ধ করুন