ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

পুরভোটে শোভনের সমর্থনে শহরে হোর্ডিং, সব জল্পনা ওড়ালেন দিলীপ

দিলীপ ঘোষ বললেন, শোভনদা সক্রিয় হোক সেটা সবাই চায়। তবে পার্টির থেকে এটা করা হয়নি। শোভনদা এলে ভালই তো। তাঁর কাজ সবাই জানে। শোভনদা এলে ববি হাকিমকে সমস্যায় পড়তে হবে।

পুরভোটের দোরগোড়ায় যাকে মেয়রপ্রার্থী করার দাবিতে শহরে হোর্ডিং পড়েছিল, বেলা গড়াতে সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনে লড়ার সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

শোভনের নামে হোর্ডিংয়ের জেরে প্রশ্ন করা হলে শুক্রবার রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে বসে দিলীপ ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন, ‘বিজেপি কাউকে মুখ করে ভোটে নামে না। জেতার পরে নেতা ঠিক করে দল।’

বৃহস্পতিবার এক্সাইড মোড় থেকে টালিগঞ্জ মোড় পর্যন্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ছবি-সহ বেশ কিছু হোর্ডিং নজরে পড়ে। হোর্ডিংয়ে লেখা হয়, ‘অসম্পূর্ণ কলকাতার পৌরসভাকে পুনরায় স্বমহিমায় আনতে ফিরে আসুন।' কোথাও আবার লেখা হয়েছে, ‘কলকাতার বেহাল দশাকে পুনরায় স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে আপনি এগিয়ে আসুন শোভনদা।'

হোর্ডিংয়ে ‘কলকাতা নাগরিকবৃন্দ’-এর নাম থাকলেও একই সঙ্গে দেখা গিয়েছে বিজেপির পদ্মফুল প্রতীক। স্বাভাবিক ভাবেই আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে শোভনকে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী করার বিষয়ে শুরু হয় জল্পনা।

এ দিন দলীয় দফতরে সাংবাদিকদের দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘দলের তরফে কোনও পোস্টার দেওয়া হয়নি। পুরভোটের জন্য কাউকে নেতা হিসেবে ভাবাও হয়নি।’

প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কে বা কারা রাতে এমন পোস্টারে শহর ছেয়ে দিল? উত্তরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘আমারও জানা নেই। আমি মিডিয়া, ফেসবুকে দেখলাম। তাতেই জানলাম। হতে পারে, আমাদের কর্মীরা বা সাধারণ নাগরিকরা করেছেন। শোভনদা সক্রিয় হোক সেটা সবাই চায়। তবে পার্টির থেকে এটা করা হয়নি। শোভনদা এলে ভালই তো। তাঁর কাজ সবাই জানে। শোভনদা এলে ববি হাকিমকে সমস্যায় পড়তে হবে।’

বন্ধ করুন