বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > ভর্তির পর করোনা ধরা পড়লে রোগীকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে হাসপাতালকেই
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

ভর্তির পর করোনা ধরা পড়লে রোগীকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে হাসপাতালকেই

  • কোনও হাসপাতালে ভর্তির পর কোনও রোগীর করোনা ধরা পড়লে সেই রোগীকে সরকারি বা সরকার অধিগৃহীত করোনা হাসপাতালে ভর্তি করার দায়িত্ব নিতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই।

হাসপাতালে ভর্তির পর কোনও রোগীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করার বেড জোগাড় করে দিতে হবে ওই হাসপাতালকেই। বৃহস্পতিবার এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্তাদের দাবি, হাসপাতালে অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর করোনা ধরা পড়লে তাঁকে করোনা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে নাভিশ্বাস উঠছে। তাই এই নির্দেশিকা। 

স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, কোনও হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত নন জেনে কোনও রোগীকে ভর্তির পর তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে করোনা হাসপাতালে স্থানান্তর বাধ্যতামূলক। আর সেকাজ করতে গিয়ে হাল খারাপ হয়ে যাচ্ছে রোগীর আত্মীয়দের। কোথায় শয্যা খালি রয়েছে খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে তাঁদের। এর মধ্যে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হচ্ছে। এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে স্বাস্থ্য দফতরে। যেখানে করোনা ধরা পড়ার পর রোগীকে স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেও কোথায় স্থানান্তর করা হবে তার ব্যবস্থা করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

এই সমস্যার সমাধানে বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমার, প্রশাসনিক বোর্ডের তরফে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতীন ঘোষ, কলকাতা পুরসভায় করোনা উপদেষ্টা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, কোনও হাসপাতালে ভর্তির পর কোনও রোগীর করোনা ধরা পড়লে সেই রোগীকে সরকারি বা সরকার অধিগৃহীত করোনা হাসপাতালে ভর্তি করার দায়িত্ব নিতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই। 

এক্ষেত্রে করোনা হাসপাতালে যোগাযোগ করে সেখানে শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে হাসপাতালের আধিকারিকদের। তার পর রোগীকে দেওয়া হবে একটি রেফারাল কোড। রোগী সেই করোনা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রেফারাল কোড বললেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, ‘আপাতত কলকাতায় শুরু হবে এই নিয়ম। পরে দরকার মতো তা প্রয়োগ করা হবে অন্যান্য জায়গাতেও।’

বন্ধ করুন