বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে হাওড়া–শিয়ালদহ স্টেশন, দেখার কেউ নেই
হাওড়া স্টেশন
হাওড়া স্টেশন

আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে হাওড়া–শিয়ালদহ স্টেশন, দেখার কেউ নেই

আলোকসজ্জায় সেজে উঠল হাওড়া–শিয়ালদহ স্টেশন। তবে দেখার মানুষ নেই। হাওড়া–শিয়ালদহের মতো ব্যস্ত স্টেশন আজ পুজোর দিনেও ফাঁকা। কারণ নিউ নর্ম্যাল হলেও লোকাল ট্রেন চলেনি। দূরপাল্লার কিছু ট্রেন চলেছে।

আলোকসজ্জায় সেজে উঠল হাওড়া–শিয়ালদহ স্টেশন। তবে দেখার মানুষ নেই। হাওড়া–শিয়ালদহের মতো ব্যস্ত স্টেশন আজ পুজোর দিনেও ফাঁকা। কারণ নিউ নর্ম্যাল হলেও লোকাল ট্রেন চলেনি। দূরপাল্লার কিছু ট্রেন চলেছে। তাতে আর কতজন। ফলে কার্যত জনমানবশূন্য। শূন্যতার মাঝেও সেজে উঠেছে স্টেশন। তাই প্রতিবারের মতো এবারও আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে দুই স্টেশনকে।

হাওড়া স্টেশনে পা রাখলেই দেখা মিলবে ফ্যাসাড আলোয় জাতীয়তাবোধকে তুলে ধরতে বিল্ডিং তিনবর্ণের আলোকের ঝর্ণা ধারায় ভাসছে। মহাষষ্ঠীতে আলোক মালায় দেবী দুর্গার প্রতীকের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ঢাক আর কাঁসরের মেলবন্ধনে সেজে উঠেছে। শিয়ালদহ স্টেশনও একইভাবে সেজে উঠেছে। পুজোর আগেই দুই স্টেশনে নানা পরিষেবা ও সৌন্দর্যায়ন ঘটানো হয়েছে। তবুও দেখার কেউ নেই। লোকাল ট্রেনই কারশেডে পড়ে রয়েছে জঙ্গল ঘেরা অবস্থায়।

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন জিআরপি–আরপিএফ। এবার লোকাল ট্রেন না চলায় সেই তৎপরতা নেই। টিকিট পরীক্ষক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা বুথ করে যাত্রীদের সহযোগিতায় হাজির থাকে প্রতি বছর। এবার যাত্রী না থাকায় তার প্রয়োজন নেই। তবে দুষ্কৃতীদের উপর নজর রাখা হয়েছে। যাত্রী উপযুক্ত না থাকায় ফুড স্টল থেকে প্লাজা সবই বন্ধ। তবে মায়ের আগমনে খামতি রাখা চলবে না আয়োজনের।


বন্ধ করুন